০৮:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম সহজভাবে

ঈদের নামাজ দুই রাকাত এবং এটি ওয়াজিব। এই নামাজে আজান ও ইকামত নেই। যাদের ওপর জুমার নামাজ ফরজ, তাদের ওপর ঈদের নামাজও ওয়াজিব।

ঈদের নামাজের বিশেষ পার্থক্য হলো—এতে অতিরিক্ত ৬টি তাকবির দিতে হয়।

ঈদের নামাজের সময়
সূর্য ওঠার কিছুক্ষণ পর থেকে দ্বিপ্রহর পর্যন্ত সময় থাকে। তবে ঈদুল ফিতরের নামাজ একটু দেরিতে পড়া উত্তম, যাতে আগে সদকাতুল ফিতর আদায় করা যায়।

নিয়ত
নিয়ত মুখে বলা জরুরি নয়। মনে মনে ঠিক করতে হবে—আমি ইমামের পেছনে কিবলামুখী হয়ে অতিরিক্ত তাকবিরসহ ঈদের নামাজ আদায় করছি।

প্রথম রাকাত
১. তাকবিরে তাহরিমা বলে হাত বাঁধা
২. সানা পড়া
৩. অতিরিক্ত ৩ তাকবির (প্রথম দুইটিতে হাত তুলে ছেড়ে দেওয়া, তৃতীয়টিতে হাত বেঁধে নেওয়া)
৪. আউজুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ পড়া
৫. সূরা ফাতিহা
৬. অন্য একটি সূরা
৭. এরপর রুকু ও সিজদা

দ্বিতীয় রাকাত
১. বিসমিল্লাহ পড়া
২. সূরা ফাতিহা
৩. অন্য সূরা
৪. অতিরিক্ত ৩ তাকবির (প্রথম দুইটিতে হাত তুলে ছেড়ে দেওয়া, তৃতীয়টির পর রুকুতে যাওয়া)
৫. রুকু ও সিজদা
৬. তাশাহহুদ, দরুদ, দোয়া পড়ে সালাম

খুতবা
নামাজ শেষে ইমাম দুটি খুতবা দেবেন। খুতবা শোনা ওয়াজিব।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
ঈদের নামাজ খোলা মাঠে পড়া উত্তম, তবে মসজিদেও পড়া যায়।
যদি তাকবির মিস হয়, রুকুতে গিয়ে আদায় করা যাবে।
এক রাকাত ছুটে গেলে দ্বিতীয় রাকাতে তাকবির আদায় করতে হবে।
পুরো নামাজ মিস হলে এর কাজা নেই; চাইলে চার রাকাত নফল (ইশরাক) পড়া যেতে পারে, তবে অতিরিক্ত তাকবির ছাড়া।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

Update Time : ১০:৫৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
২৫ Time View

ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম সহজভাবে

Update Time : ১০:৫৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

ঈদের নামাজ দুই রাকাত এবং এটি ওয়াজিব। এই নামাজে আজান ও ইকামত নেই। যাদের ওপর জুমার নামাজ ফরজ, তাদের ওপর ঈদের নামাজও ওয়াজিব।

ঈদের নামাজের বিশেষ পার্থক্য হলো—এতে অতিরিক্ত ৬টি তাকবির দিতে হয়।

ঈদের নামাজের সময়
সূর্য ওঠার কিছুক্ষণ পর থেকে দ্বিপ্রহর পর্যন্ত সময় থাকে। তবে ঈদুল ফিতরের নামাজ একটু দেরিতে পড়া উত্তম, যাতে আগে সদকাতুল ফিতর আদায় করা যায়।

নিয়ত
নিয়ত মুখে বলা জরুরি নয়। মনে মনে ঠিক করতে হবে—আমি ইমামের পেছনে কিবলামুখী হয়ে অতিরিক্ত তাকবিরসহ ঈদের নামাজ আদায় করছি।

প্রথম রাকাত
১. তাকবিরে তাহরিমা বলে হাত বাঁধা
২. সানা পড়া
৩. অতিরিক্ত ৩ তাকবির (প্রথম দুইটিতে হাত তুলে ছেড়ে দেওয়া, তৃতীয়টিতে হাত বেঁধে নেওয়া)
৪. আউজুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ পড়া
৫. সূরা ফাতিহা
৬. অন্য একটি সূরা
৭. এরপর রুকু ও সিজদা

দ্বিতীয় রাকাত
১. বিসমিল্লাহ পড়া
২. সূরা ফাতিহা
৩. অন্য সূরা
৪. অতিরিক্ত ৩ তাকবির (প্রথম দুইটিতে হাত তুলে ছেড়ে দেওয়া, তৃতীয়টির পর রুকুতে যাওয়া)
৫. রুকু ও সিজদা
৬. তাশাহহুদ, দরুদ, দোয়া পড়ে সালাম

খুতবা
নামাজ শেষে ইমাম দুটি খুতবা দেবেন। খুতবা শোনা ওয়াজিব।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
ঈদের নামাজ খোলা মাঠে পড়া উত্তম, তবে মসজিদেও পড়া যায়।
যদি তাকবির মিস হয়, রুকুতে গিয়ে আদায় করা যাবে।
এক রাকাত ছুটে গেলে দ্বিতীয় রাকাতে তাকবির আদায় করতে হবে।
পুরো নামাজ মিস হলে এর কাজা নেই; চাইলে চার রাকাত নফল (ইশরাক) পড়া যেতে পারে, তবে অতিরিক্ত তাকবির ছাড়া।