০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের যমুনায় আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয় ও রাজনীতি

ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই নৈশভোজ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

একনজরে নৈশভোজ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের তথ্য:

বিবরণতথ্য
আয়োজকপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আমন্ত্রিত অতিথিযুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ
অতিথির সংখ্যাদেড় শতাধিক নেতা
তারিখ ও সময়আজ সোমবার (২০ জুলাই), সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিট
স্থানরাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা
অন্যান্য উপস্থিতিবিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ

ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের শরিকদের সম্মাননা

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনে যারা যুগপৎ আন্দোলনে রাজপথে ছিলেন, মূলত সেসব শরিক দলের নেতাদের সম্মানেই এই নৈশভোজের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তিনি কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

আমন্ত্রণ পেয়েছেন দেড় শতাধিক শীর্ষ নেতা

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত আজকের এই অনুষ্ঠানে যুগপৎ আন্দোলনে শরিক দলগুলোর দেড় শতাধিক শীর্ষ নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, ইতোমধ্যে আমন্ত্রিত নেতাদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র (কার্ড) পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের পাশাপাশি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন।

সরকার গঠনের পর প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিপুল জয়লাভ করে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকার গঠনের পর এই প্রথমবারের মতো যুগপৎ শরিকদের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজনীতি সচেতন মহল এই নৈশভোজকে রাজনৈতিক ঐক্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০১:০১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
১৯৮ Time View

শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের যমুনায় আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Update Time : ০১:০১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয় ও রাজনীতি

ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই নৈশভোজ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

একনজরে নৈশভোজ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের তথ্য:

বিবরণতথ্য
আয়োজকপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আমন্ত্রিত অতিথিযুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ
অতিথির সংখ্যাদেড় শতাধিক নেতা
তারিখ ও সময়আজ সোমবার (২০ জুলাই), সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিট
স্থানরাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা
অন্যান্য উপস্থিতিবিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ

ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের শরিকদের সম্মাননা

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনে যারা যুগপৎ আন্দোলনে রাজপথে ছিলেন, মূলত সেসব শরিক দলের নেতাদের সম্মানেই এই নৈশভোজের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তিনি কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

আমন্ত্রণ পেয়েছেন দেড় শতাধিক শীর্ষ নেতা

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত আজকের এই অনুষ্ঠানে যুগপৎ আন্দোলনে শরিক দলগুলোর দেড় শতাধিক শীর্ষ নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, ইতোমধ্যে আমন্ত্রিত নেতাদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র (কার্ড) পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের পাশাপাশি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন।

সরকার গঠনের পর প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিপুল জয়লাভ করে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকার গঠনের পর এই প্রথমবারের মতো যুগপৎ শরিকদের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজনীতি সচেতন মহল এই নৈশভোজকে রাজনৈতিক ঐক্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন।