‘অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়’: ব্যারিস্টার মীর হেলাল
বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয় ও রাজনীতি
অপরাধী যে-ই হোক, তার রাজনৈতিক পরিচয় নয়, অপরাধই হবে তার মূল পরিচয়। কেউ রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বে নয়, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয় বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
বুধবার (২৯ জুলাই) চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
একনজরে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভার বিবরণ:
| বিবরণ | তথ্য |
| প্রধান বক্তা | ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন (প্রতিমন্ত্রী, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়) |
| অনুষ্ঠান | বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা |
| স্থান | হাটহাজারী উপজেলা |
| তারিখ | বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) |
| মূল বার্তা | অপরাধ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা |
রাজনৈতিক পরিচয়ে অপরাধ করলে ছাড় নয়
প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, বর্তমানে অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু কোনো দলের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ অপরাধ করলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। যেকোনো দলের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা সামাজিক অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও নির্দেশ দেন, কেউ যদি দলের নাম ব্যবহার করে অন্যায় করার চেষ্টা করেন, তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। সন্ত্রাসীর কোনো দল, গোত্র বা পরিচয় নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্যায়ের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ও গ্রেপ্তার
হাটহাজারীতে সব ধরনের অপরাধ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, কয়েক দিন আগে ঘটে যাওয়া চাঁদাবাজির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা সরাসরি ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। বাকি আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে বলে তিনি জনসাধারণকে আশ্বাস দেন।
হাটহাজারীবাসীর পাশে থাকার অঙ্গীকার
আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কঠোর বার্তার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের প্রতি আবেগঘন বার্তাও দেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল। তিনি বলেন, গত ১৯ বছর ধরে হাটহাজারীর মানুষের সুখ-দুঃখ ও বিপদ-আপদে তিনি যেমন পাশে ছিলেন, ভবিষ্যতেও সন্তান ও ভাই হিসেবে সব সময় তাদের পাশে থাকবেন।





















