০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের চীনে প্রশিক্ষণের প্রস্তাব বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূতের

ছবি: সংগৃহীত

বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয়

বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের জন্য চীনে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এই আগ্রহ প্রকাশ করেন।

একনজরে সাক্ষাতের মূল বিষয়বস্তু:

বিবরণতথ্য
প্রস্তাবকইয়াও ওয়েন (চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত)
সাক্ষাৎকারীমো. ইসমাইল জবিউল্লাহ (জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা)
সাক্ষাতের স্থানবাংলাদেশ সচিবালয়
মূল প্রস্তাববাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের চীনে প্রশিক্ষণ প্রদান
আলোচ্য বিষয়দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন

সম্পর্ক উন্নয়ন ও সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র

সাক্ষাতের শুরুতে চীনা রাষ্ট্রদূতকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ। পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পর তিনি উল্লেখ করেন, চীনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও আস্থাপূর্ণ সম্পর্ককে বাংলাদেশ সবসময় বিশেষ গুরুত্ব দেয়। চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার। তবে শুধুমাত্র বাণিজ্য নয়; শিক্ষা, প্রযুক্তি, প্রশাসন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো খাতগুলোতে দুই দেশের একত্রে কাজ করার বিস্তর সুযোগ রয়েছে। যৌথ গবেষণা ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে এই সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দুই দেশের সম্পর্ক নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই বন্ধুত্বকে আরও টেকসই করতে ‘চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি’র উদ্যোগে একটি সুনির্দিষ্ট ও পরিকল্পিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন তিনি, যেখানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের নেতারাও অংশ নিতে পারবেন।

এর পাশাপাশি চীনা কমিউনিস্ট পার্টি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের বিষয়টিও তুলে ধরেন বিদায়ী রাষ্ট্রদূত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া আগামীতে আরও বৃদ্ধি পাবে। সাক্ষাতে চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
AKM GULAM SARWAR

AKM GULAM SARWAR

"আমি এই নিউজ পোর্টালের স্বত্বাধিকারী ও সম্পাদক এবং একজন নিবেদিত সমাজকর্মী। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের পাশাপাশি বেঙ্গল আই টিভিতে 'সত্যের সন্ধানে' ও 'জনমত' নামের দুটি অনুষ্ঠান নিয়মিত উপস্থাপনা করছি। সাংবাদিকতা ও সমাজসেবার বাইরে শিল্প-সাহিত্যের প্রতি আমার গভীর অনুরাগ রয়েছে। লেখালেখির পাশাপাশি আমি একাধারে একজন গীতিকার, সুরকার, স্ক্রিপ্ট রাইটার এবং প্রযোজক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি।"
Update Time : ০৯:৪০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৬৫ Time View

বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের চীনে প্রশিক্ষণের প্রস্তাব বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূতের

Update Time : ০৯:৪০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত

বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয়

বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের জন্য চীনে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এই আগ্রহ প্রকাশ করেন।

একনজরে সাক্ষাতের মূল বিষয়বস্তু:

বিবরণতথ্য
প্রস্তাবকইয়াও ওয়েন (চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত)
সাক্ষাৎকারীমো. ইসমাইল জবিউল্লাহ (জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা)
সাক্ষাতের স্থানবাংলাদেশ সচিবালয়
মূল প্রস্তাববাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের চীনে প্রশিক্ষণ প্রদান
আলোচ্য বিষয়দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন

সম্পর্ক উন্নয়ন ও সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র

সাক্ষাতের শুরুতে চীনা রাষ্ট্রদূতকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ। পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পর তিনি উল্লেখ করেন, চীনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও আস্থাপূর্ণ সম্পর্ককে বাংলাদেশ সবসময় বিশেষ গুরুত্ব দেয়। চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার। তবে শুধুমাত্র বাণিজ্য নয়; শিক্ষা, প্রযুক্তি, প্রশাসন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো খাতগুলোতে দুই দেশের একত্রে কাজ করার বিস্তর সুযোগ রয়েছে। যৌথ গবেষণা ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে এই সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দুই দেশের সম্পর্ক নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই বন্ধুত্বকে আরও টেকসই করতে ‘চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি’র উদ্যোগে একটি সুনির্দিষ্ট ও পরিকল্পিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন তিনি, যেখানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের নেতারাও অংশ নিতে পারবেন।

এর পাশাপাশি চীনা কমিউনিস্ট পার্টি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের বিষয়টিও তুলে ধরেন বিদায়ী রাষ্ট্রদূত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া আগামীতে আরও বৃদ্ধি পাবে। সাক্ষাতে চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।