০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারাদিন ঘুমিয়ে কাটালে রোজা হবে?

পবিত্র রমজান মাস মুসলমানদের জন্য ইবাদত, সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস। এই মাসেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর ওপর পবিত্র কোরআন নাজিল শুরু হয়। তাই রমজানকে ঘিরে নানা প্রশ্ন মানুষের মনে জাগে।

প্রশ্ন:
কেউ সেহরি খেয়ে রোজার নিয়ত করে ঘুমিয়ে পড়ল এবং সারাদিন ঘুমিয়েই কাটাল। এমনকি কোনো ওয়াক্তের নামাজও আদায় করল না। তার রোজা কি সহিহ হবে?

উত্তর:
শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার নামই রোজা। সেহরি খেয়ে যথাযথ নিয়ত করার পর কেউ যদি সারাদিন ঘুমিয়েও থাকে, তবুও তার রোজা সহিহ হবে—কারণ সে রোজা ভঙ্গের কোনো কাজ করেনি।

তবে নামাজ একটি স্বতন্ত্র ও ফরজ ইবাদত। রোজা রেখে নামাজ ত্যাগ করলে রোজা ভেঙে যাবে না, কিন্তু নামাজ না পড়ার কারণে সে গুনাহগার হবে। তাই রোজার পাশাপাশি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ে যত্নবান হওয়া জরুরি।

তথ্যসূত্র:
সূরা বাকারা, আয়াত ১৮৭; কিতাবুল ফাতাওয়া, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৪২৫।

সংকলন:
মাওলানা ইমরানুল বারী সিরাজী
দাওরায়ে হাদিস, দারুল উলুম দেওবন্দ, উত্তরপ্রদেশ, ভারত
খতিব, পীর ইয়ামেনী জামে মসজিদ, গুলিস্তান, ঢাকা
মুফতি ও মুহাদ্দিস, জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম নতুনবাগ মাদ্রাসা, রামপুরা, ঢাকা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০৩:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৭১ Time View

সারাদিন ঘুমিয়ে কাটালে রোজা হবে?

Update Time : ০৩:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পবিত্র রমজান মাস মুসলমানদের জন্য ইবাদত, সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস। এই মাসেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর ওপর পবিত্র কোরআন নাজিল শুরু হয়। তাই রমজানকে ঘিরে নানা প্রশ্ন মানুষের মনে জাগে।

প্রশ্ন:
কেউ সেহরি খেয়ে রোজার নিয়ত করে ঘুমিয়ে পড়ল এবং সারাদিন ঘুমিয়েই কাটাল। এমনকি কোনো ওয়াক্তের নামাজও আদায় করল না। তার রোজা কি সহিহ হবে?

উত্তর:
শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার নামই রোজা। সেহরি খেয়ে যথাযথ নিয়ত করার পর কেউ যদি সারাদিন ঘুমিয়েও থাকে, তবুও তার রোজা সহিহ হবে—কারণ সে রোজা ভঙ্গের কোনো কাজ করেনি।

তবে নামাজ একটি স্বতন্ত্র ও ফরজ ইবাদত। রোজা রেখে নামাজ ত্যাগ করলে রোজা ভেঙে যাবে না, কিন্তু নামাজ না পড়ার কারণে সে গুনাহগার হবে। তাই রোজার পাশাপাশি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ে যত্নবান হওয়া জরুরি।

তথ্যসূত্র:
সূরা বাকারা, আয়াত ১৮৭; কিতাবুল ফাতাওয়া, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৪২৫।

সংকলন:
মাওলানা ইমরানুল বারী সিরাজী
দাওরায়ে হাদিস, দারুল উলুম দেওবন্দ, উত্তরপ্রদেশ, ভারত
খতিব, পীর ইয়ামেনী জামে মসজিদ, গুলিস্তান, ঢাকা
মুফতি ও মুহাদ্দিস, জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম নতুনবাগ মাদ্রাসা, রামপুরা, ঢাকা।