০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপি প্রতিনিধিদলের বৈঠক

ঢাকা: দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বেলা ১১টায় গুলশানে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ডা. মাহবুবুর রহমান, নায়েবা ইউসুফ এমপি এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।

বৈঠক শেষে ড. মঈন খান সাংবাদিকদের জানান, মার্কিন প্রতিনিধিদলের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি, সরকারের নীতিমালা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা পর্যবেক্ষণ করা। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম শুভাকাঙ্ক্ষী রাষ্ট্র। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তারা আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ নীতিমালার বিষয়ে সার্বিক আলোচনায় অংশ নিতে এসেছেন।”

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, আজকের আলোচনায় মূলত দুই দেশের জনগণের সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক ইস্যুগুলো প্রাধান্য পেয়েছে। সরকারের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদের কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি মন্তব্য না করে বলেন, “সেটি সরকারই আপনাদের জানাবে।”

বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ড. মঈন খান স্পষ্ট করেন যে, তাদের সঙ্গে মূলত রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে কথা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল ডিপ্লোম্যাটিক, বৈদেশিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক। এই তিনটি ইস্যুতেই আমরা আমাদের অবস্থান তুলে ধরেছি।”

গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রসঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বিএনপি সবসময় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিশ্বাসী। স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে জনগণের সমর্থনে গঠিত সরকারের লক্ষ্য হলো মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করা। এসব বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি এবং বাংলাদেশের পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোই ছিল আজকের আলোচনার মূল লক্ষ্য।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ১০:০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
২৮ Time View

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপি প্রতিনিধিদলের বৈঠক

Update Time : ১০:০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

ঢাকা: দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বেলা ১১টায় গুলশানে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ডা. মাহবুবুর রহমান, নায়েবা ইউসুফ এমপি এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।

বৈঠক শেষে ড. মঈন খান সাংবাদিকদের জানান, মার্কিন প্রতিনিধিদলের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি, সরকারের নীতিমালা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা পর্যবেক্ষণ করা। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম শুভাকাঙ্ক্ষী রাষ্ট্র। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তারা আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ নীতিমালার বিষয়ে সার্বিক আলোচনায় অংশ নিতে এসেছেন।”

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, আজকের আলোচনায় মূলত দুই দেশের জনগণের সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক ইস্যুগুলো প্রাধান্য পেয়েছে। সরকারের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদের কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি মন্তব্য না করে বলেন, “সেটি সরকারই আপনাদের জানাবে।”

বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ড. মঈন খান স্পষ্ট করেন যে, তাদের সঙ্গে মূলত রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে কথা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল ডিপ্লোম্যাটিক, বৈদেশিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক। এই তিনটি ইস্যুতেই আমরা আমাদের অবস্থান তুলে ধরেছি।”

গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রসঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বিএনপি সবসময় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিশ্বাসী। স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে জনগণের সমর্থনে গঠিত সরকারের লক্ষ্য হলো মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করা। এসব বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি এবং বাংলাদেশের পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোই ছিল আজকের আলোচনার মূল লক্ষ্য।