০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইতিহাসের অন্যতম গৌরবময় অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ—প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধই সবচেয়ে গৌরবের অধ্যায়। তিনি জানান, অতীতকে ভুলে যাওয়া ঠিক নয়, তবে অতীত নিয়েই অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকলে ভবিষ্যতের অগ্রগতি ব্যাহত হতে পারে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল জাতীয় নেতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, অতীতে যেভাবে জিয়াউর রহমানকে ছোট করার চেষ্টা হয়েছে, তা বরং প্রমাণ করে তিনি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জিয়াউর রহমান আকস্মিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি; বরং দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন লালন করেছেন। তার লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ প্রবন্ধেও সেই ভাবনার প্রতিফলন পাওয়া যায়। প্রবন্ধটি প্রকাশের পর তেমন কোনো আপত্তি না থাকলেও পরবর্তীতে তাকে নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়া মুক্তিযুদ্ধের এক গুরুত্বপূর্ণ ও অনন্য চরিত্র, যা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি জানান, তার সরকার জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, শুধু নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠী নয়, বরং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত কল্যাণই হোক স্বাধীনতা দিবসের মূল অঙ্গীকার।

এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, মানুষের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও দেশের সম্পদ সীমিত। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে, তাহলেই একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০৩:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
১০৯ Time View

ইতিহাসের অন্যতম গৌরবময় অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ—প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০৩:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধই সবচেয়ে গৌরবের অধ্যায়। তিনি জানান, অতীতকে ভুলে যাওয়া ঠিক নয়, তবে অতীত নিয়েই অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকলে ভবিষ্যতের অগ্রগতি ব্যাহত হতে পারে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল জাতীয় নেতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, অতীতে যেভাবে জিয়াউর রহমানকে ছোট করার চেষ্টা হয়েছে, তা বরং প্রমাণ করে তিনি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জিয়াউর রহমান আকস্মিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি; বরং দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন লালন করেছেন। তার লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ প্রবন্ধেও সেই ভাবনার প্রতিফলন পাওয়া যায়। প্রবন্ধটি প্রকাশের পর তেমন কোনো আপত্তি না থাকলেও পরবর্তীতে তাকে নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়া মুক্তিযুদ্ধের এক গুরুত্বপূর্ণ ও অনন্য চরিত্র, যা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি জানান, তার সরকার জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, শুধু নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠী নয়, বরং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত কল্যাণই হোক স্বাধীনতা দিবসের মূল অঙ্গীকার।

এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, মানুষের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও দেশের সম্পদ সীমিত। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে, তাহলেই একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।