০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়া পরিবারের কাছে আমরা চির ঋণী: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, সততা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বই আমাকে রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত করেছে। সেই সঙ্গে জিয়া পরিবারের কাছে আমরা চির ঋণী বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে নিজের রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রসঙ্গ টেনে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান।

তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করছি। তাঁর আদর্শ, সততা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বই আমাকে রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত করেছে। তার দেখানো পথেই আমি জনসেবার দীক্ষা নিয়েছি এবং এই সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছি। আমার বাবার পর আমিও এই মহান সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি। সেজন্য জিয়া পরিবারের কাছে আমি ও আমার পরিবার চির ঋণী।

দেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান ঘটতে পারে-এমন সব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বিরোধীদলের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সংসদে বিরোধীদলের কার্যক্রমের সমালোচনা করেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী।

তার ভাষ্য, আপনারা খাল কেটে কুমির আনবেন না। এমন কোনো কাজ করবেন না, যাতে বাংলাদেশে আবার সেই পুরোনো ফ্যাসিস্টরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ না করি এবং হঠকারী কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি, তবে তা খাল কেটে কুমির আনার মতো পরিস্থিতি তৈরি করবে। দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।’

সংসদে দেয়া বক্তব্যে তিনি নিজের রাজনৈতিক ভিত্তি, নির্বাচনী এলাকার প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জুলাই বিপ্লবের চেতনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

নিজের নির্বাচনী এলাকা ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল)-এর জনগণের প্রতি গভীর আবেগ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নান্দাইলের মাটি ও মানুষই আমার শক্তির মূল উৎস। নান্দাইলের প্রতিটি ভোটার আমাকে যে অকুণ্ঠ সমর্থন ও ম্যান্ডেট দিয়েছেন, আমি তা আজীবন মনে রাখব। জনগণের দেওয়া আস্থার মর্যাদা রক্ষা করা আমার প্রধান ব্রত। নান্দাইলের মানুষের উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমি সর্বদা আপসহীন থাকব।’

তিনি বলেন, নান্দাইলের মানুষ আমার বাবা আনোয়ার হোসাইন খান চৌধুরীকে এই মহান সংসদে পাঠিয়েছিল। তেমনিভাবে আমাকেও তারা এই মহান সংসদে পাঠিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নান্দাইলের একজন কৃষকের স্বপ্ন, যুবকের স্বপ্ন, শিক্ষার্থীর স্বপ্নই আমার স্বপ্ন। তিনি নান্দাইলের সাড়ে ১২শ কিলোমিটার কাঁচা সড়কের বেহাল দশা সম্পর্কে সংসদকে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে তার প্রতিকার চান।

তিনি বলেন, ‘আমরা বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করে ভোট চাইনি। আমাদের ভোট চাওয়ার প্রধান সূত্র ছিল আমাদের ইশতেহার। যেটা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সুচিন্তিত চিন্তার ফসল।

সড়কে চলাচলে ভিআইপি মুভমেন্ট তুলে দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এখন প্রধানমন্ত্রী ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকেন। সড়কে এখন আর ভিআইপির যন্ত্রণা মানুষকে পোহাতে হয় না।

বিগত সরকারের পতনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার ভাষায় বলতে হয়-কাঙালের ধন চুরি করতে করতে তারা এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে, তাদের দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছিল।’ 

তিনি বিরোধীদলকে সতর্ক করে বলেন, ‘এমন পরিণতি যেন আমাদের না হয়, সেদিকে আপনাদেরও খেয়াল রাখতে হবে।’

প্রতিমন্ত্রীর এই মন্তব্যের সময় বিরোধীদলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানালে তিনি তৎক্ষণাৎ পাল্টা সতর্ক করে বলেন, ‘আপনারা তালি দিচ্ছেন, তবে মনে রাখবেন-রাজনীতিতে অদূরদর্শী হলে আপনাদেরও এমন পরিণতি হওয়া বিচিত্র নয়।’

জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা অবশ্যই বাস্তবায়ন করে। এই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ‘ইফ’ বা ‘বাট’ নেই। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি কেউ জুলাই সনদকে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করে অথবা জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরানোর অপচেষ্টা করে, তবে তা হবে আত্মঘাতী।’

তিনি কঠোর ভাষায় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যেভাবে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের একক সম্পত্তি মনে করেছিল, জুলাই সনদ নিয়ে একই কাজ করা ভুল এবং আত্মঘাতী হবে। এটা জনগণের সনদ, কারো দলীয় দলিল নয়।’

প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বিরোধীদলের প্রতি গঠনমূলক রাজনীতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মুখে মধু আর অন্তরে বিষ রেখে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। আমরা যেন বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা না করি।’

জুলাই আন্দোলনের শহীদদের সংখ্যা নিয়ে অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একাত্তরের ঘটনা নিয়ে এখনো অনেক বিতর্ক আছে, আমরা চাই না জুলাই নিয়ে ৫০ বা ১০০ বছর পর কোনো নতুন বিতর্ক তৈরি হোক।’

দেশের ভবিষ্যতের স্বার্থে নতুন কোনো ষড়যন্ত্রের ন্যারেটিভ তৈরি না করে সংসদে গঠনমূলক রাজনৈতিক বিতর্ক করার জন্য বিরোধী জোটের প্রতি তিনি আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ১১:১৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
৩১১ Time View

জিয়া পরিবারের কাছে আমরা চির ঋণী: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

Update Time : ১১:১৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, সততা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বই আমাকে রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত করেছে। সেই সঙ্গে জিয়া পরিবারের কাছে আমরা চির ঋণী বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে নিজের রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রসঙ্গ টেনে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান।

তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করছি। তাঁর আদর্শ, সততা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বই আমাকে রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত করেছে। তার দেখানো পথেই আমি জনসেবার দীক্ষা নিয়েছি এবং এই সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছি। আমার বাবার পর আমিও এই মহান সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি। সেজন্য জিয়া পরিবারের কাছে আমি ও আমার পরিবার চির ঋণী।

দেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান ঘটতে পারে-এমন সব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বিরোধীদলের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সংসদে বিরোধীদলের কার্যক্রমের সমালোচনা করেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী।

তার ভাষ্য, আপনারা খাল কেটে কুমির আনবেন না। এমন কোনো কাজ করবেন না, যাতে বাংলাদেশে আবার সেই পুরোনো ফ্যাসিস্টরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ না করি এবং হঠকারী কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি, তবে তা খাল কেটে কুমির আনার মতো পরিস্থিতি তৈরি করবে। দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।’

সংসদে দেয়া বক্তব্যে তিনি নিজের রাজনৈতিক ভিত্তি, নির্বাচনী এলাকার প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জুলাই বিপ্লবের চেতনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

নিজের নির্বাচনী এলাকা ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল)-এর জনগণের প্রতি গভীর আবেগ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নান্দাইলের মাটি ও মানুষই আমার শক্তির মূল উৎস। নান্দাইলের প্রতিটি ভোটার আমাকে যে অকুণ্ঠ সমর্থন ও ম্যান্ডেট দিয়েছেন, আমি তা আজীবন মনে রাখব। জনগণের দেওয়া আস্থার মর্যাদা রক্ষা করা আমার প্রধান ব্রত। নান্দাইলের মানুষের উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমি সর্বদা আপসহীন থাকব।’

তিনি বলেন, নান্দাইলের মানুষ আমার বাবা আনোয়ার হোসাইন খান চৌধুরীকে এই মহান সংসদে পাঠিয়েছিল। তেমনিভাবে আমাকেও তারা এই মহান সংসদে পাঠিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নান্দাইলের একজন কৃষকের স্বপ্ন, যুবকের স্বপ্ন, শিক্ষার্থীর স্বপ্নই আমার স্বপ্ন। তিনি নান্দাইলের সাড়ে ১২শ কিলোমিটার কাঁচা সড়কের বেহাল দশা সম্পর্কে সংসদকে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে তার প্রতিকার চান।

তিনি বলেন, ‘আমরা বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করে ভোট চাইনি। আমাদের ভোট চাওয়ার প্রধান সূত্র ছিল আমাদের ইশতেহার। যেটা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সুচিন্তিত চিন্তার ফসল।

সড়কে চলাচলে ভিআইপি মুভমেন্ট তুলে দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এখন প্রধানমন্ত্রী ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকেন। সড়কে এখন আর ভিআইপির যন্ত্রণা মানুষকে পোহাতে হয় না।

বিগত সরকারের পতনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার ভাষায় বলতে হয়-কাঙালের ধন চুরি করতে করতে তারা এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে, তাদের দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছিল।’ 

তিনি বিরোধীদলকে সতর্ক করে বলেন, ‘এমন পরিণতি যেন আমাদের না হয়, সেদিকে আপনাদেরও খেয়াল রাখতে হবে।’

প্রতিমন্ত্রীর এই মন্তব্যের সময় বিরোধীদলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানালে তিনি তৎক্ষণাৎ পাল্টা সতর্ক করে বলেন, ‘আপনারা তালি দিচ্ছেন, তবে মনে রাখবেন-রাজনীতিতে অদূরদর্শী হলে আপনাদেরও এমন পরিণতি হওয়া বিচিত্র নয়।’

জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা অবশ্যই বাস্তবায়ন করে। এই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ‘ইফ’ বা ‘বাট’ নেই। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি কেউ জুলাই সনদকে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করে অথবা জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরানোর অপচেষ্টা করে, তবে তা হবে আত্মঘাতী।’

তিনি কঠোর ভাষায় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যেভাবে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের একক সম্পত্তি মনে করেছিল, জুলাই সনদ নিয়ে একই কাজ করা ভুল এবং আত্মঘাতী হবে। এটা জনগণের সনদ, কারো দলীয় দলিল নয়।’

প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বিরোধীদলের প্রতি গঠনমূলক রাজনীতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মুখে মধু আর অন্তরে বিষ রেখে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। আমরা যেন বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা না করি।’

জুলাই আন্দোলনের শহীদদের সংখ্যা নিয়ে অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একাত্তরের ঘটনা নিয়ে এখনো অনেক বিতর্ক আছে, আমরা চাই না জুলাই নিয়ে ৫০ বা ১০০ বছর পর কোনো নতুন বিতর্ক তৈরি হোক।’

দেশের ভবিষ্যতের স্বার্থে নতুন কোনো ষড়যন্ত্রের ন্যারেটিভ তৈরি না করে সংসদে গঠনমূলক রাজনৈতিক বিতর্ক করার জন্য বিরোধী জোটের প্রতি তিনি আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।