পেনাল্টির দুই গোলে সমতা, আতলেতিকো-আর্সেনাল ম্যাচে উত্তেজনা কম
এক দিনের ব্যবধানে দুই ভিন্ন অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলো উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ। আগের দিন পিএসজি ও বায়ার্ন মিউনিখ-এর ম্যাচ ছিল গোলবন্যায় ভরা রোমাঞ্চকর লড়াই। আর পরদিন আতলেতিকো মাদ্রিদ ও আর্সেনাল-এর সেমিফাইনালের প্রথম লেগ ছিল একেবারেই শান্ত ও সতর্কতামূলক।
ম্যাচজুড়ে দুদলই আক্রমণের চেয়ে রক্ষণে বেশি মনোযোগ দেয়। ফলে গোলের দেখা মেলে মাত্র দুটি—দুটিই পেনাল্টি থেকে।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে ভিক্টর ইয়োকেরেস পেনাল্টি থেকে গোল করে আর্সেনালকে এগিয়ে দেন। বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকেই গোল করে হুলিয়ান আলভারেস আতলেতিকোকে সমতায় ফেরান। এতে মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হয়।
আগামী মঙ্গলবার লন্ডনে ফিরতি লেগে আবার মুখোমুখি হবে দুই দল। সেখানেই নির্ধারিত হবে কে উঠবে ফাইনালে।
গোলবন্যার পিএসজি-বায়ার্ন ম্যাচটি যদি ‘বিরিয়ানি’ হয়, তাহলে এই ম্যাচ ছিল অনেকটাই ‘ডাল-ভাত’—সাদামাটা ও ধীরগতির। প্রথমার্ধে দুই দলই খুব সতর্ক ফুটবল খেলেছে।
প্রথম গোলটি আসে যখন আতলেতিকোর ডিফেন্ডার দাভিদ হাঙ্কো বক্সে ফাউল করেন। সেই সুযোগ কাজে লাগান ইয়োকেরেস। এরপর ৫৬ মিনিটে বেন হোয়াইটের হাতে বল লাগলে পেনাল্টি পায় আতলেতিকো, আর সেখান থেকেই সমতা ফেরান আলভারেস।
এই গোলের মাধ্যমে চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের ১০ম গোল পূর্ণ করেন আলভারেস। এর ফলে রাদামেল ফালকাও-এর পর আতলেতিকোর হয়ে এক মৌসুমে ১০ বা তার বেশি গোল করা দ্বিতীয় ফুটবলার হলেন তিনি।
সমতায় ফেরার পর দ্বিতীয়ার্ধে দিয়েগো সিমেওনে-এর দলই বেশি আক্রমণাত্মক ছিল। তবে গ্রিজমানের শট পোস্টে লাগা এবং কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট হওয়ায় আর এগোতে পারেনি আতলেতিকো।
অন্যদিকে ম্যাচের শেষ দিকে আর্সেনালের একটি সম্ভাব্য পেনাল্টি ভিএআর যাচাইয়ের পর বাতিল করা হলে কোচ মিকেল আর্তেতা অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
সব মিলিয়ে, উত্তেজনার চেয়ে কৌশলগত লড়াইই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে এই ম্যাচে—যার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে ফিরতি লেগে।





















