০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য চেয়েছে সরকার

দেশের ঝুঁকিপূর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দীর্ঘ ২৫ বছরেও যেসব বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ বিষয়ে দেশের সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, অনেক পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে এখনও পাঠদান চলছে। যেসব ভবনের কলাম, বীম বা ছাদে ফাটল রয়েছে, প্লাস্টার খসে রড বেরিয়ে গেছে, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা কমিটির মাধ্যমে অকেজো ঘোষণা করা হয়েছে— সেগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে হবে।

এছাড়া যেসব বিদ্যালয়ে এখনও টিনশেড বা অস্থায়ী কক্ষে পাঠদান চলছে, সেগুলোকেও নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বিবেচনায় আনা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ মের মধ্যে জেলা ভিত্তিক তথ্য নির্ধারিত ছকে সফট কপি ও হার্ড কপির মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

Update Time : ১২:৫৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
৩৮ Time View

ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য চেয়েছে সরকার

Update Time : ১২:৫৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

দেশের ঝুঁকিপূর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দীর্ঘ ২৫ বছরেও যেসব বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ বিষয়ে দেশের সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, অনেক পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে এখনও পাঠদান চলছে। যেসব ভবনের কলাম, বীম বা ছাদে ফাটল রয়েছে, প্লাস্টার খসে রড বেরিয়ে গেছে, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা কমিটির মাধ্যমে অকেজো ঘোষণা করা হয়েছে— সেগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে হবে।

এছাড়া যেসব বিদ্যালয়ে এখনও টিনশেড বা অস্থায়ী কক্ষে পাঠদান চলছে, সেগুলোকেও নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বিবেচনায় আনা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ মের মধ্যে জেলা ভিত্তিক তথ্য নির্ধারিত ছকে সফট কপি ও হার্ড কপির মাধ্যমে জমা দিতে হবে।