০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০১৪ সালের পর সব নির্বাচনই ছিল সাজানো: জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের দাবি করেছেন, ২০১৪ সালের পর দেশে অনুষ্ঠিত সব নির্বাচনই ছিল ‘সাজানো ও পূর্বনির্ধারিত’। এমনকি ২০২৬ সালের নির্বাচনও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নিজের দুটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জিএম কাদের।

তিনি বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা বাড়লেও ভোটকেন্দ্রের বুথ প্রায় ১৭ হাজার কমানো হয়েছে। তার দাবি, ভোটার উপস্থিতি কম হবে জেনেই কৃত্রিম ভিড় তৈরি ও ভোট ম্যানিপুলেশনের জন্য এমন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।

জিএম কাদের আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ৫৯.৪৪ শতাংশ ভোট পড়ার হিসাব বাস্তবসম্মত নয়। তার ভাষ্য, নির্ধারিত সময় ও বুথসংখ্যা অনুযায়ী প্রতি ভোটারের জন্য মাত্র ১০৪ সেকেন্ড সময় পাওয়া যায়, যা দিয়ে পুরো ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব।

তিনি দাবি করেন, মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র দীর্ঘ সময় ফাঁকা ছিল এবং প্রকৃত ভোট ১২ থেকে ১৫ শতাংশের বেশি হয়নি। বাকি ভোট জালিয়াতির মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

গণমাধ্যম নিয়েও সমালোচনা করেন জাপা চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশে এখন কার্যত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই এবং মিডিয়া ‘সেলফ সেন্সরড’ অবস্থায় চলছে।

বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে জিএম কাদের বলেন, দেশে মামলা বাণিজ্য ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের প্রবণতা বেড়েছে। ভিন্নমত দমন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসাও চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রতীক নিয়ে তারা চিন্তিত নন, তবে দলের ভেতরের ‘বেইমানদের’ আর সুযোগ দেওয়া হবে না।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

Update Time : ১০:৪৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
৩২ Time View

২০১৪ সালের পর সব নির্বাচনই ছিল সাজানো: জিএম কাদের

Update Time : ১০:৪৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের দাবি করেছেন, ২০১৪ সালের পর দেশে অনুষ্ঠিত সব নির্বাচনই ছিল ‘সাজানো ও পূর্বনির্ধারিত’। এমনকি ২০২৬ সালের নির্বাচনও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নিজের দুটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জিএম কাদের।

তিনি বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা বাড়লেও ভোটকেন্দ্রের বুথ প্রায় ১৭ হাজার কমানো হয়েছে। তার দাবি, ভোটার উপস্থিতি কম হবে জেনেই কৃত্রিম ভিড় তৈরি ও ভোট ম্যানিপুলেশনের জন্য এমন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।

জিএম কাদের আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ৫৯.৪৪ শতাংশ ভোট পড়ার হিসাব বাস্তবসম্মত নয়। তার ভাষ্য, নির্ধারিত সময় ও বুথসংখ্যা অনুযায়ী প্রতি ভোটারের জন্য মাত্র ১০৪ সেকেন্ড সময় পাওয়া যায়, যা দিয়ে পুরো ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব।

তিনি দাবি করেন, মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র দীর্ঘ সময় ফাঁকা ছিল এবং প্রকৃত ভোট ১২ থেকে ১৫ শতাংশের বেশি হয়নি। বাকি ভোট জালিয়াতির মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

গণমাধ্যম নিয়েও সমালোচনা করেন জাপা চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশে এখন কার্যত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই এবং মিডিয়া ‘সেলফ সেন্সরড’ অবস্থায় চলছে।

বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে জিএম কাদের বলেন, দেশে মামলা বাণিজ্য ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের প্রবণতা বেড়েছে। ভিন্নমত দমন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসাও চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রতীক নিয়ে তারা চিন্তিত নন, তবে দলের ভেতরের ‘বেইমানদের’ আর সুযোগ দেওয়া হবে না।