০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে গবেষণা না হওয়া ইতিহাসের প্রতি অবিচার: মির্জা ফখরুল

বেঙ্গল আই ডেস্ক | ঢাকা

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে দেশে পর্যাপ্ত গবেষণা না হওয়ায় বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতি চরম অবিচার করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় উপেক্ষিত

মির্জা ফখরুল আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে দেশে গবেষণা অত্যন্ত অপ্রতুল। এর ফলে দেশের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা হচ্ছে না।

“যাঁরা দেশের জন্য এত বড় অবদান রেখেছেন, তাঁদের নিয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা না হওয়াটা কেবল দুঃখজনকই নয়, এটি ইতিহাসের প্রতিও এক বড় ধরনের অবিচার।”

জাতীয়তাবাদী পরিচয় ও গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ

বিএনপি মহাসচিব উল্লেখ করেন, জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার মাধ্যমে শহীদ জিয়া দেশের মানুষের এক স্বতন্ত্র পরিচয় প্রতিষ্ঠায় ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিলেন।

  • গণতন্ত্রের বিকাশ: তিনি বহুমাত্রিক গণতন্ত্রকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নিরলস কাজ করেছিলেন।
  • রাজনৈতিক ভিত্তি: মির্জা ফখরুল জোর দিয়ে বলেন, একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল ছাড়া গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া অত্যন্ত কঠিন। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঠিক সেই রাজনৈতিক ভিত্তিই গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন।

উন্নয়ন ও গবেষণায় যুগান্তকারী অবদান

দেশের সার্বিক উন্নয়নে ও অর্থনীতিকে স্বনির্ভর করতে শহীদ জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন:

  • তিনি শুধু দেশব্যাপী স্বনির্ভরতার প্রতীক ‘খাল খনন’ কর্মসূচিই বাস্তবায়ন করেননি, পাশাপাশি কৃষি ও গবেষণায়ও ব্যাপক জোর দিয়েছিলেন।
  • বিভিন্ন জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে আখ গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ নানামুখী উন্নয়নমূলক কাজে জিয়াউর রহমানের অনন্য অবদান রয়েছে।

স্মরণ ও আলোচনা সভায় বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০৮:৩০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
৪৬ Time View

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে গবেষণা না হওয়া ইতিহাসের প্রতি অবিচার: মির্জা ফখরুল

Update Time : ০৮:৩০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

বেঙ্গল আই ডেস্ক | ঢাকা

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে দেশে পর্যাপ্ত গবেষণা না হওয়ায় বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতি চরম অবিচার করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় উপেক্ষিত

মির্জা ফখরুল আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে দেশে গবেষণা অত্যন্ত অপ্রতুল। এর ফলে দেশের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা হচ্ছে না।

“যাঁরা দেশের জন্য এত বড় অবদান রেখেছেন, তাঁদের নিয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা না হওয়াটা কেবল দুঃখজনকই নয়, এটি ইতিহাসের প্রতিও এক বড় ধরনের অবিচার।”

জাতীয়তাবাদী পরিচয় ও গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ

বিএনপি মহাসচিব উল্লেখ করেন, জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার মাধ্যমে শহীদ জিয়া দেশের মানুষের এক স্বতন্ত্র পরিচয় প্রতিষ্ঠায় ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিলেন।

  • গণতন্ত্রের বিকাশ: তিনি বহুমাত্রিক গণতন্ত্রকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নিরলস কাজ করেছিলেন।
  • রাজনৈতিক ভিত্তি: মির্জা ফখরুল জোর দিয়ে বলেন, একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল ছাড়া গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া অত্যন্ত কঠিন। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঠিক সেই রাজনৈতিক ভিত্তিই গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন।

উন্নয়ন ও গবেষণায় যুগান্তকারী অবদান

দেশের সার্বিক উন্নয়নে ও অর্থনীতিকে স্বনির্ভর করতে শহীদ জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন:

  • তিনি শুধু দেশব্যাপী স্বনির্ভরতার প্রতীক ‘খাল খনন’ কর্মসূচিই বাস্তবায়ন করেননি, পাশাপাশি কৃষি ও গবেষণায়ও ব্যাপক জোর দিয়েছিলেন।
  • বিভিন্ন জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে আখ গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ নানামুখী উন্নয়নমূলক কাজে জিয়াউর রহমানের অনন্য অবদান রয়েছে।

স্মরণ ও আলোচনা সভায় বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।