০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ: আজ প্রথম জোড়া বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বেঙ্গল আই ডেস্ক | ঢাকা

প্রথম বিদেশ সফরে আজ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে দুই দিনের সরকারি সফরে আজ দুপুরে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। এরপর সোমবার সন্ধ্যায় সেখান থেকে চার দিনের সফরে চীনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফরকালে তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি অন্তত ২০টি সমঝোতা ও চুক্তি সই হতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই প্রথম জোড়া বিদেশ সফর দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

মালয়েশিয়া সফর: শ্রমবাজার ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি

পররাষ্ট্র সচিব জানান, মালয়েশিয়া সফরকালে সোমবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন তারেক রহমান। এরপর দুই দেশের সরকারপ্রধানের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

  • আলোচনার মূল বিষয়: বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং কৃষি ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা।
  • শ্রমবাজার ও রোহিঙ্গা ইস্যু: মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে নতুন বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার বিষয়ে জোরালো অনুরোধ জানানো হবে। পাশাপাশি, আসিয়ানে বাংলাদেশের যোগদান এবং রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়ার সমর্থন চাইবে বাংলাদেশ।
  • চুক্তি: সংস্কৃতি বিনিময় ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দুটি দলিল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চীন সফর: ১৭ চুক্তি ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা

মালয়েশিয়া সফর শেষে সোমবার সন্ধ্যায় চীনের বন্দরনগরী দালিয়ানে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। পররাষ্ট্র সচিব জানান, চীন সফরকালে দুই দেশের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বা চুক্তি সই হতে পারে। এর মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক, দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রটোকল রয়েছে। এছাড়া বহুল আলোচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

চীন সফরের প্রধান সূচি:

  • মঙ্গলবার: বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইওর সঙ্গে বৈঠক। বিকেলে ডব্লিউইএফ সম্মেলনে ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক অধিবেশনে প্রধান বক্তা হিসেবে ভাষণ প্রদান।
  • বুধবার: ডব্লিউইএফ-এর মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং দুপুরে ট্রেনে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা।
  • বৃহস্পতিবার: চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক। দুপুরে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’-এ বক্তব্য প্রদান। বিকেলে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও চুক্তি সই।
  • শুক্রবার: চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাউ লেজির সঙ্গে সাক্ষাৎ। এরপর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। বৈঠক শেষে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে বীর যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিকেলে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

উচ্চপর্যায়ের ছোট প্রতিনিধিদল

এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়া ও চীনের বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে। সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলটি তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে (২৭-২৮ জন)। এই দলে থাকছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বিশ্লেষকদের মত: ভূরাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের আভাস

প্রধানমন্ত্রীর সফরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, “সাবেক সরকারের অনিয়মের সিন্ডিকেট গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে চলতে পারে না। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভেঙে স্বচ্ছতা আনতে হবে। নেপালসহ ১৪টি দেশ থেকে যেভাবে কর্মী নেওয়া হয়, বাংলাদেশের জন্যও একই নিয়ম করতে হবে।”

অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. এম শাহিদুজ্জামান বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে একটা বাস্তব পরিবর্তন আসবে। বাংলাদেশের ওপর দীর্ঘদিনের ভারতীয় প্রভাব কমে যাবে। বাংলাদেশকে সামরিক ক্ষেত্রে সহায়তার পাশাপাশি চীন বঙ্গোপসাগরেও তাদের উপস্থিতি বাড়াবে। আর ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে পরিবর্তনের ফলে যুক্তরাষ্ট্রও এতে আপত্তি করবে না। ফলে আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।”

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০৫:৪৬:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
৪৭ Time View

ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ: আজ প্রথম জোড়া বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০৫:৪৬:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

বেঙ্গল আই ডেস্ক | ঢাকা

প্রথম বিদেশ সফরে আজ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে দুই দিনের সরকারি সফরে আজ দুপুরে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। এরপর সোমবার সন্ধ্যায় সেখান থেকে চার দিনের সফরে চীনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী।

সফরকালে তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি অন্তত ২০টি সমঝোতা ও চুক্তি সই হতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই প্রথম জোড়া বিদেশ সফর দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

মালয়েশিয়া সফর: শ্রমবাজার ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি

পররাষ্ট্র সচিব জানান, মালয়েশিয়া সফরকালে সোমবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন তারেক রহমান। এরপর দুই দেশের সরকারপ্রধানের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

  • আলোচনার মূল বিষয়: বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং কৃষি ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা।
  • শ্রমবাজার ও রোহিঙ্গা ইস্যু: মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে নতুন বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার বিষয়ে জোরালো অনুরোধ জানানো হবে। পাশাপাশি, আসিয়ানে বাংলাদেশের যোগদান এবং রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়ার সমর্থন চাইবে বাংলাদেশ।
  • চুক্তি: সংস্কৃতি বিনিময় ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দুটি দলিল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চীন সফর: ১৭ চুক্তি ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা

মালয়েশিয়া সফর শেষে সোমবার সন্ধ্যায় চীনের বন্দরনগরী দালিয়ানে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। পররাষ্ট্র সচিব জানান, চীন সফরকালে দুই দেশের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বা চুক্তি সই হতে পারে। এর মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক, দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রটোকল রয়েছে। এছাড়া বহুল আলোচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

চীন সফরের প্রধান সূচি:

  • মঙ্গলবার: বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইওর সঙ্গে বৈঠক। বিকেলে ডব্লিউইএফ সম্মেলনে ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক অধিবেশনে প্রধান বক্তা হিসেবে ভাষণ প্রদান।
  • বুধবার: ডব্লিউইএফ-এর মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং দুপুরে ট্রেনে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা।
  • বৃহস্পতিবার: চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক। দুপুরে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’-এ বক্তব্য প্রদান। বিকেলে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও চুক্তি সই।
  • শুক্রবার: চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাউ লেজির সঙ্গে সাক্ষাৎ। এরপর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। বৈঠক শেষে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে বীর যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিকেলে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

উচ্চপর্যায়ের ছোট প্রতিনিধিদল

এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়া ও চীনের বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে। সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলটি তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে (২৭-২৮ জন)। এই দলে থাকছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বিশ্লেষকদের মত: ভূরাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের আভাস

প্রধানমন্ত্রীর সফরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, “সাবেক সরকারের অনিয়মের সিন্ডিকেট গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে চলতে পারে না। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভেঙে স্বচ্ছতা আনতে হবে। নেপালসহ ১৪টি দেশ থেকে যেভাবে কর্মী নেওয়া হয়, বাংলাদেশের জন্যও একই নিয়ম করতে হবে।”

অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. এম শাহিদুজ্জামান বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে একটা বাস্তব পরিবর্তন আসবে। বাংলাদেশের ওপর দীর্ঘদিনের ভারতীয় প্রভাব কমে যাবে। বাংলাদেশকে সামরিক ক্ষেত্রে সহায়তার পাশাপাশি চীন বঙ্গোপসাগরেও তাদের উপস্থিতি বাড়াবে। আর ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে পরিবর্তনের ফলে যুক্তরাষ্ট্রও এতে আপত্তি করবে না। ফলে আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।”