০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের

বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয়

জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদসহ সকল বীর শহীদদের স্মরণে ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে দেশজুড়ে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীর মতো নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

একনজরে শহীদ দিবস ও গৃহিত কর্মসূচি:

বিষয়বিস্তারিত তথ্য
দিবসের নামশহীদ দিবস (১৬ জুলাই)
প্রেক্ষাপটজুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
শহীদ আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভবেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর (ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন মন্ত্রী আহমেদ আজম খান)
শহীদ ওয়াসিম আকরাম স্মৃতিস্তম্ভপেকুয়া, কক্সবাজার (ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন)
আলোকচিত্র প্রদর্শনী‘ক্যাম্পাসের ক্ষতচিহ্ন’ অথবা ‘প্রতিরোধের সূচনা’

১৬ জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দুটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনা শুধু দেশব্যাপী নয়, বরং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্দোলনকে আরও বেগবান ও ত্বরান্বিত করে তোলে।

শহীদদের আত্মত্যাগকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদের স্মরণে এবং চট্টগ্রামের কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিম আকরামের স্মরণে একই মর্যাদায় স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

১৫ জুলাইয়ের হামলা স্মরণে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও বহিরাগত সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর সেদিনের হামলা ছিল অত্যন্ত তীব্র।

সেই কালো দিনটিকে স্মরণ করে একটি বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে। এই প্রদর্শনীর সম্ভাব্য নাম হতে পারে—‘ক্যাম্পাসের ক্ষতচিহ্ন’ অথবা ‘প্রতিরোধের সূচনা’। চারুকলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘরের সামনে কিংবা শাহবাগ স্কয়ারের মতো কোনো উন্মুক্ত স্থানে এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০৮:৫০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
১৪৮ Time View

১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের

Update Time : ০৮:৫০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয়

জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদসহ সকল বীর শহীদদের স্মরণে ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে দেশজুড়ে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীর মতো নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

একনজরে শহীদ দিবস ও গৃহিত কর্মসূচি:

বিষয়বিস্তারিত তথ্য
দিবসের নামশহীদ দিবস (১৬ জুলাই)
প্রেক্ষাপটজুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
শহীদ আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভবেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর (ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন মন্ত্রী আহমেদ আজম খান)
শহীদ ওয়াসিম আকরাম স্মৃতিস্তম্ভপেকুয়া, কক্সবাজার (ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন)
আলোকচিত্র প্রদর্শনী‘ক্যাম্পাসের ক্ষতচিহ্ন’ অথবা ‘প্রতিরোধের সূচনা’

১৬ জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দুটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনা শুধু দেশব্যাপী নয়, বরং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্দোলনকে আরও বেগবান ও ত্বরান্বিত করে তোলে।

শহীদদের আত্মত্যাগকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদের স্মরণে এবং চট্টগ্রামের কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিম আকরামের স্মরণে একই মর্যাদায় স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

১৫ জুলাইয়ের হামলা স্মরণে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও বহিরাগত সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর সেদিনের হামলা ছিল অত্যন্ত তীব্র।

সেই কালো দিনটিকে স্মরণ করে একটি বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে। এই প্রদর্শনীর সম্ভাব্য নাম হতে পারে—‘ক্যাম্পাসের ক্ষতচিহ্ন’ অথবা ‘প্রতিরোধের সূচনা’। চারুকলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘরের সামনে কিংবা শাহবাগ স্কয়ারের মতো কোনো উন্মুক্ত স্থানে এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।