০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয়

বন্যার্তদের সম্পূর্ণ পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত সরকার তাদের পাশে থাকবে বলে দৃঢ় আশ্বাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় মাইঝ পাড়া মাহমুদুন নবী চৌধুরী স্কুলের সামনে ও হাদী পাড়ায় ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

একনজরে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য ও ত্রাণ কার্যক্রমের চিত্র:

বিবরণতথ্য
প্রধান অতিথিঅর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
ত্রাণ বিতরণের স্থানপতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
পরিদর্শনের পরবর্তী গন্তব্যচন্দনাইশ-দোহাজারী ও সাতকানিয়া
খাদ্য সহায়তাপ্রায় ৪০ হাজার মানুষকে রান্না করা খাবার বিতরণ
কৃষি পুনর্বাসনকৃষকদের জন্য সার, বীজ ও কৃষি উপকরণ প্রদান
স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলাওষুধসহ চিকিৎসাসেবার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি গ্রহণ

চলমান ত্রাণ বিতরণ ও খাদ্য সহায়তা

অর্থমন্ত্রী জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকার শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এখন পর্যন্ত দুর্গতদের মাঝে শুকনো খাবার, ডাল এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, “পাশাপাশি প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে রান্না করা খাবার খাওয়ানোর ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণের এই ধারা এখনো অব্যাহত আছে এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তা চলমান থাকবে।”

কৃষি পুনর্বাসন ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা প্রস্তুতি

ত্রাণ বিতরণের পরপরই ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। বিশেষ করে কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার, বীজ এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণের মাধ্যমে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, বন্যার পরে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। যেকোনো সংক্রমণ বা রোগ দেখা দিলে দ্রুততার সঙ্গে তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ওষুধসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পরবর্তী গন্তব্য চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পতেঙ্গায় ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি শেষ করে বন্যার্তদের সহায়তায় সরাসরি চন্দনাইশ-দোহাজারী ও সাতকানিয়ায় দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে এবং ত্রাণ বিতরণের উদ্দেশ্যে রওনা হন। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেন যে, যতদিন পর্যন্ত পুনর্বাসন কার্যক্রম শেষ না হয়, ততদিন সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০৮:২৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
৬০ Time View

বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

Update Time : ০৮:২৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয়

বন্যার্তদের সম্পূর্ণ পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত সরকার তাদের পাশে থাকবে বলে দৃঢ় আশ্বাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় মাইঝ পাড়া মাহমুদুন নবী চৌধুরী স্কুলের সামনে ও হাদী পাড়ায় ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

একনজরে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য ও ত্রাণ কার্যক্রমের চিত্র:

বিবরণতথ্য
প্রধান অতিথিঅর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
ত্রাণ বিতরণের স্থানপতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
পরিদর্শনের পরবর্তী গন্তব্যচন্দনাইশ-দোহাজারী ও সাতকানিয়া
খাদ্য সহায়তাপ্রায় ৪০ হাজার মানুষকে রান্না করা খাবার বিতরণ
কৃষি পুনর্বাসনকৃষকদের জন্য সার, বীজ ও কৃষি উপকরণ প্রদান
স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলাওষুধসহ চিকিৎসাসেবার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি গ্রহণ

চলমান ত্রাণ বিতরণ ও খাদ্য সহায়তা

অর্থমন্ত্রী জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকার শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এখন পর্যন্ত দুর্গতদের মাঝে শুকনো খাবার, ডাল এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, “পাশাপাশি প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে রান্না করা খাবার খাওয়ানোর ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণের এই ধারা এখনো অব্যাহত আছে এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তা চলমান থাকবে।”

কৃষি পুনর্বাসন ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা প্রস্তুতি

ত্রাণ বিতরণের পরপরই ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। বিশেষ করে কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার, বীজ এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণের মাধ্যমে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, বন্যার পরে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। যেকোনো সংক্রমণ বা রোগ দেখা দিলে দ্রুততার সঙ্গে তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ওষুধসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পরবর্তী গন্তব্য চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পতেঙ্গায় ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি শেষ করে বন্যার্তদের সহায়তায় সরাসরি চন্দনাইশ-দোহাজারী ও সাতকানিয়ায় দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে এবং ত্রাণ বিতরণের উদ্দেশ্যে রওনা হন। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেন যে, যতদিন পর্যন্ত পুনর্বাসন কার্যক্রম শেষ না হয়, ততদিন সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।