‘পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়’— বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয়
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে কাজ করতে পারে না। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, মানবিক, পেশাদার ও সেবামুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
রোববার (২ আগস্ট) সকালে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
একনজরে
| বিবরণ | তথ্য |
|---|---|
| বক্তব্য প্রদানকারী | স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ |
| অনুষ্ঠান | ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ |
| স্থান | বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা, রাজশাহী |
| মূল বার্তা | পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, মানবিক ও পেশাদার হতে হবে |
| প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন | ৫৮ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার |
‘জনগণের আস্থা অর্জনই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হলে পুলিশকে নিরপেক্ষতা, মানবিক আচরণ এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের মূল দায়িত্ব।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।
তিনি নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন—
- সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
- কোনো ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম বা ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
- পেশাগত জীবনে নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে।
প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতার ওপর গুরুত্ব
ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাইবার অপরাধ ও প্রযুক্তিভিত্তিক জালিয়াতি দ্রুত বাড়ছে।
এসব অপরাধ দমনে—
- আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।
- কারিগরি দক্ষতা উন্নত করতে হবে।
- প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।
৫৮ জন এএসপির প্রশিক্ষণ সমাপ্ত
অনুষ্ঠানে ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের প্রথম পর্যায়ের ৫৮ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ছয় মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন।
পরে বিভিন্ন বিভাগে সেরা প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
যারা পুরস্কার পেলেন
প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীরা হলেন—
- বেস্ট প্রবেশনার: ড. মো. নূরুল হুদা ভূঁইয়া
- বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ: ড. মো. নূরুল হুদা ভূঁইয়া
- বেস্ট একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড: আবু নুমান মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম
- বেস্ট শ্যুটার: এ বি এম মামুন
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
- ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু
- পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির
- পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল অতিরিক্ত আইজিপি জি এম আজিজুর রহমান





















