শিশুর বিকাশে সহায়ক পরিবেশ ও সামাজিক জাগরণের আহ্বান সমাজকল্যাণমন্ত্রীর
বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয়
মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, শিশুর সুপ্ত সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশে সহায়ক পরিবেশ ও সামাজিক জাগরণ অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, শিশুদের নিরাপদ ও মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, বরং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব।
মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আইয়ের মুস্তাফা মনোয়ার স্টুডিওতে আয়োজিত ‘Act for Early Years: Safeguarding Childhood and the Planet’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
একনজরে
| বিবরণ | তথ্য |
|---|---|
| বক্তব্য প্রদানকারী | অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন |
| পরিচয় | মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী |
| অনুষ্ঠান | ‘Act for Early Years: Safeguarding Childhood and the Planet’ গোলটেবিল বৈঠক |
| স্থান | মুস্তাফা মনোয়ার স্টুডিও, তেজগাঁও, ঢাকা |
| মূল বার্তা | শিশুর বিকাশে সহায়ক পরিবেশ ও সামাজিক জাগরণ প্রয়োজন |
শিশুর বিকাশে সবার অংশগ্রহণের আহ্বান
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, শিশুদের সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারের একার পক্ষে এই দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে পালন করা সম্ভব নয়। তাই শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
মা ও শিশু সুরক্ষায় সরকারের উদ্যোগ
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায়—
- ৩৪ শতাংশ শিশু
- ৫১ শতাংশ নারী
এই জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ছাড়া টেকসই জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, সরকারের ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’ আরও জোরদার করা হয়েছে এবং জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু রয়েছে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ
অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটে—
- শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
- স্বাস্থ্য খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
জলবায়ু ঝুঁকিতে প্রায় ১ কোটি ৯৪ লাখ শিশু
গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ৯৪ লাখ শিশু জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে রয়েছে।
তারা সুপারিশ করেন—
- জলবায়ু-সহনশীল শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা,
- উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় শিশুকেন্দ্রিক সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা,
- নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করা,
- সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—
- সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহ্বুব
- জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা
- ইউনিসেফ
- ইউনেস্কো
- সেভ দ্য চিলড্রেন
- বিভিন্ন গণমাধ্যম ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।





















