হাসিনার রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছা ‘মামার বাড়ির আবদার’: রিজভী
বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয় ও রাজনীতি
ভারতে বসে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সংবাদ সম্মেলন করা এবং দেশে ফিরে রাজনীতি করার ঘোষণাকে ‘মামার বাড়ির আবদার’ ও ‘ধৃষ্টতা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর পল্লবীতে বিএনপির প্রয়াত ক্রীড়াসংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
একনজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| বক্তব্যদাতা | রুহুল কবির রিজভী |
| পদ | বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা |
| স্থান | পল্লবী, ঢাকা |
| অনুষ্ঠান | আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকীর আলোচনা ও দোয়া |
| তারিখ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ |
| মূল প্রসঙ্গ | শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ও রাজনীতিতে ফেরার বক্তব্য |
‘জনগণ এই বক্তব্য মেনে নেবে না’
রিজভী বলেন, হাজার হাজার মানুষ নিহত হওয়ার পর শেখ হাসিনার দেশে ফিরে রাজনীতি করার বক্তব্য জনগণ মেনে নেবে না।
তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ গুম ও খুনের বিচার দেখতে চায়। যারা এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিচার নিশ্চিত করার দাবি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শেখ হাসিনার বিচার বাস্তবায়নের দাবি
বর্তমান সরকারকে ন্যায়-নিষ্ঠার ওপর দাঁড়ানো সরকার হিসেবে উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিগত সময়ে যারা গুম ও খুন করেছে, তাদের বিচার দেখতে চায় জনগণ।
তিনি শেখ হাসিনার বিচার বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, এত মানুষ হত্যার পর বিদেশে বসে সংবাদ সম্মেলন করে দেশে ফিরে রাজনীতি করার ঘোষণা দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
ভারতের আশ্রয় নিয়েও সমালোচনা
রিজভী অভিযোগ করেন, যারা শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে, তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য তাকে ব্যবহার করতে চায়।
তার দাবি, শেখ হাসিনা ও তার দল জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।
আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিচারণ
অনুষ্ঠানে আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিচারণ করে রিজভী বলেন, কোকো সক্রিয় রাজনীতি করতেন না; তিনি ছিলেন একজন ক্রীড়া সংগঠক।
তবে তার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মায়ের ওপর হওয়া অত্যাচার ও নির্যাতন তিনি সহ্য করতে পারেননি বলে দাবি করেন রিজভী।
প্রতিহিংসার রাজনীতি চান না তারেক রহমান: আমিনুল হক
অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, গত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
তবে এত কিছুর পরও বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিহিংসার রাজনীতি চান না। তিনি দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সুবিচারের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চান বলে মন্তব্য করেন আমিনুল হক।
অনুষ্ঠানে পল্লবী ও রূপনগর থানা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।





















