বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: রুহুল কবির রিজভী
বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয় ও রাজনীতি
দলের নাম ভাঙিয়ে কোনো ধরনের অপকর্মে জড়ালে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নেতাকর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
একনজরে রিজভীর বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তু:
| বিবরণ | তথ্য |
| মূল বক্তা | অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী (ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, বিএনপি) |
| স্থান | জিয়া উদ্যান, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা |
| প্রধান বার্তা | দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক অবস্থান |
| স্থানীয় নির্বাচন প্রসঙ্গ | দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হবে, তৃণমূল যাচাই-বাছাই করে যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দেবে |
| জনপ্রিয়তার জরিপ | বিএনপির জনপ্রিয়তা ৫৪-৫৬% এবং প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা ৬৫-৬৬% |
| উপস্থিত নেতৃবৃন্দ | আব্দুস সালাম, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আমিনুল হক, হাবিব উন নবী খান সোহেল প্রমুখ |
দলীয় শৃঙ্খলা ও অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোরতা
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রুহুল কবির রিজভী বলেন, “আমার প্রধান দায়িত্ব হবে দলকে সুশৃঙ্খল ও সুসমন্বিতভাবে পরিচালনা করা। দলের চেয়ারম্যানের নির্দেশিত সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, সেভাবেই কাজ করব।”
নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর দলের নাম ভাঙিয়ে যারা নানা ধরনের অপকর্মে যুক্ত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে দলের চেয়ারম্যান শক্ত পদক্ষেপ নিয়েছেন। তাই কেউ অনৈতিক কাজ করবেন না, বরং গঠনমূলক কাজে যুক্ত থেকে দলকে শক্তিশালী করুন।
জনকল্যাণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, জনগণের শুভেচ্ছা ও সমর্থন নিয়ে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। সরকার প্রধান হিসেবে তারেক রহমানের ঘোষিত কর্মসূচিগুলো মূলত জনগণের স্বার্থ, মানবকল্যাণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়নে দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা করার পাশাপাশি সরকারের পদক্ষেপগুলো জনগণের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও দলের জনপ্রিয়তা
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে রিজভী স্পষ্ট করেন যে, এবার ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না। ইউনিয়ন, উপজেলা, থানা ও জেলা পর্যায়ের নেতারা যাচাই-বাছাই করে যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন এবং দলের নেতাকর্মীরা সেই সমর্থিত প্রার্থীর পাশে থাকবেন।
দলের জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, এত অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের পরও বিভিন্ন জরিপে বিএনপির জনপ্রিয়তা ৫৪ থেকে ৫৬ শতাংশের মতো রয়েছে। আর ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা আরও বেশি— ৬৫ থেকে ৬৬ শতাংশ।
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালাম, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


























