০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই সরকারের প্রধান অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয়

জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এই মুহূর্তে জনগণের প্রতি সরকারের প্রধান অঙ্গীকার।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব গণতন্ত্রকামী জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং তাদের সব গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানান।

একনজরে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা:

বিবরণবিস্তারিত তথ্য
বাণী প্রদানকারীপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
উপলক্ষআন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
এবারের প্রতিপাদ্য‘রেইজিং হ্যান্ডস অ্যান্ড ভয়েসেস- ফস্টারিং এজেন্সি অ্যান্ড ওনারশিপ থ্রু ডেলিবারেটিভ ডেমোক্র্যাসি’
সরকারের মূল প্রত্যয়‘সবার আগে বাংলাদেশ- সবার জন্য বাংলাদেশ’
প্রধান অঙ্গীকারকল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা
ভবিষ্যৎ ভিশনঅন্তর্ভুক্তিমূলক, উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করা

‘সবার আগে বাংলাদেশ- সবার জন্য বাংলাদেশ’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার যে অঙ্গীকার সরকার করেছে, তা পূরণে ‘সবার আগে বাংলাদেশ- সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।

গণতন্ত্রের প্রকৃত দর্শন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন

তারেক রহমান বলেন, “গণতন্ত্রের মূল দর্শনই হচ্ছে রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকারের অর্থ শুধু ভোটের অধিকার প্রয়োগ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখতে হলে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই লক্ষ্যে সরকার দেশে জনগণের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর।

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ ও আগামীর ভিশন

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করে মানুষের বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে জনগণের সব অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করা হয়েছিল।

তবে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের পর বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে নিশ্চিত হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সামাজিক স্থিতি ও ন্যায়পরায়ণতা।”

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
AKM GULAM SARWAR

AKM GULAM SARWAR

"আমি এই নিউজ পোর্টালের স্বত্বাধিকারী ও সম্পাদক এবং একজন নিবেদিত সমাজকর্মী। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের পাশাপাশি বেঙ্গল আই টিভিতে 'সত্যের সন্ধানে' ও 'জনমত' নামের দুটি অনুষ্ঠান নিয়মিত উপস্থাপনা করছি। সাংবাদিকতা ও সমাজসেবার বাইরে শিল্প-সাহিত্যের প্রতি আমার গভীর অনুরাগ রয়েছে। লেখালেখির পাশাপাশি আমি একাধারে একজন গীতিকার, সুরকার, স্ক্রিপ্ট রাইটার এবং প্রযোজক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি।"
Update Time : ১০:১৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩৫ Time View

কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই সরকারের প্রধান অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Update Time : ১০:১৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয়

জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এই মুহূর্তে জনগণের প্রতি সরকারের প্রধান অঙ্গীকার।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব গণতন্ত্রকামী জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং তাদের সব গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানান।

একনজরে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা:

বিবরণবিস্তারিত তথ্য
বাণী প্রদানকারীপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
উপলক্ষআন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
এবারের প্রতিপাদ্য‘রেইজিং হ্যান্ডস অ্যান্ড ভয়েসেস- ফস্টারিং এজেন্সি অ্যান্ড ওনারশিপ থ্রু ডেলিবারেটিভ ডেমোক্র্যাসি’
সরকারের মূল প্রত্যয়‘সবার আগে বাংলাদেশ- সবার জন্য বাংলাদেশ’
প্রধান অঙ্গীকারকল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা
ভবিষ্যৎ ভিশনঅন্তর্ভুক্তিমূলক, উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করা

‘সবার আগে বাংলাদেশ- সবার জন্য বাংলাদেশ’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার যে অঙ্গীকার সরকার করেছে, তা পূরণে ‘সবার আগে বাংলাদেশ- সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।

গণতন্ত্রের প্রকৃত দর্শন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন

তারেক রহমান বলেন, “গণতন্ত্রের মূল দর্শনই হচ্ছে রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকারের অর্থ শুধু ভোটের অধিকার প্রয়োগ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখতে হলে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই লক্ষ্যে সরকার দেশে জনগণের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর।

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ ও আগামীর ভিশন

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করে মানুষের বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে জনগণের সব অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করা হয়েছিল।

তবে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের পর বীর ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে নিশ্চিত হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সামাজিক স্থিতি ও ন্যায়পরায়ণতা।”