‘আসতে চাঁদা, যাইতে চাঁদা, চাঁদাবাজির জন্যই সবকিছুর এত দাম’: এটিএম আজহার
বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয় ও রাজনীতি
রাস্তায় পথে পথে চাঁদাবাজি বন্ধ করা গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম দ্রুত কমে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম। একইসঙ্গে তিনি গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৮ দফা দাবিতে আগামী ১৯ মার্চ ঢাকা-রংপুর লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড়ে একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
একনজরে সংবাদ সম্মেলন ও নতুন কর্মসূচি:
| বিবরণ | বিস্তারিত তথ্য |
| বক্তা | এটিএম আজহারুল ইসলাম (নায়েবে আমির, জামায়াতে ইসলামী) |
| স্থান | হাটিকুমরুল মোড়, সিরাজগঞ্জ |
| ঘোষিত কর্মসূচি | ঢাকা-রংপুর লংমার্চ (আগামী ১৯ মার্চ) |
| প্রধান দাবি | গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৮ দফা দাবি |
| অন্যান্য উপস্থিতিবৃন্দ | বিরোধী দলীয় হুইপ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা |
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও সার সংকট নিয়ে ক্ষোভ
নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, “ঈদের সময় জিনিসপত্রের দাম বাড়ে, কিন্তু এখন বাড়ছে কেন? আসতে চাঁদা, যাইতে চাঁদা।” এই চাঁদাবাজি বন্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।
কৃষকদের সার সংকট নিয়ে তিনি বলেন, গুদামে সার আছে কিন্তু কৃষক তা পাচ্ছে না। অথচ বিগত সরকারের নেতার বাসায় সার পাওয়া যাচ্ছে। দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ১৪-১৬ বছর ধরে কোথায় কী বৈঠক হয় তা খুঁজে বের করতে পারলেও, এখন কেন তারা এসব অপরাধীদের ধরতে পারছে না— সে বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।
সংসদে ওয়াকআউট এবং লংমার্চের ডাক
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, বিগত ১৬ বছরে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে তাদের দল। একাধিক শীর্ষ নেতাকে ফাঁসি ও কারাগারে হত্যা করা হয়েছে এবং পতনের মাত্র দুদিন আগে দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। সংসদে বার বার এই দাবি জানিয়ে ওয়াকআউট করার পরও সরকার তা আমলে না নেওয়ায় তারা রাস্তায় নেমে লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী দলীয় হুইপ ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সিরাজগঞ্জ জেলা আমির মাওলানা শাহিনুর আলমসহ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও এনসিপির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





















