০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘে প্রথমবার ভাষণে যেসব বিষয় তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয় ও আন্তর্জাতিক

প্রায় চার দশক পর জাতিসংঘের অধিবেশনে লাল-সবুজের পতাকার প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন নতুন নেতৃত্ব। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে চলমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে ও মানুষের প্রত্যাশা তুলে ধরতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন সরকারপ্রধান।

একনজরে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের বিস্তারিত তথ্য:

বিবরণতথ্য
সফরের উদ্দেশ্যজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ
যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে যাত্রা২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে নৈশভোজ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভাষণের মূল বিষয়রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তন
দেশে প্রত্যাবর্তন২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু অর্থায়নে জোর

এবারের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে মূলত দুটি বিষয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে— রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ জানান, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে জোর দেবে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য যারা দায়ী, তাদেরই এই অর্থ দেওয়া উচিত। এ জন্য ‘গ্র্যান্ট-বেসড ক্লাইমেট ফিন্যান্স’ বা অনুদানভিত্তিক জলবায়ু তহবিল গড়ে তোলার জন্য বিএনপি সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। জাতিসংঘে আমরা এই অনুদানভিত্তিক অর্থায়নের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরব।”

পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ ও নতুন বিনিয়োগের আশা

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের অভ্যন্তরে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, বিশ্বনেতাদের সামনে সেসবও তুলে ধরা হবে। বিশেষ করে খাল খনন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগিয়ে কার্বন নিঃসরণ কমানোর যে মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, তা বিশ্বমঞ্চে উপস্থাপন করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ ব্যাপকভাবে বাড়বে। সাইমুম পারভেজ বলেন, “নতুন সরকার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করতে চায়। বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় আমাদের এই অংশগ্রহণের ফলে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থের একটি সমন্বয় হবে, যার মাধ্যমে আমরা নতুন বিনিয়োগ আনতে সক্ষম হব।”

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
AKM GULAM SARWAR

AKM GULAM SARWAR

"আমি এই নিউজ পোর্টালের স্বত্বাধিকারী ও সম্পাদক এবং একজন নিবেদিত সমাজকর্মী। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের পাশাপাশি বেঙ্গল আই টিভিতে 'সত্যের সন্ধানে' ও 'জনমত' নামের দুটি অনুষ্ঠান নিয়মিত উপস্থাপনা করছি। সাংবাদিকতা ও সমাজসেবার বাইরে শিল্প-সাহিত্যের প্রতি আমার গভীর অনুরাগ রয়েছে। লেখালেখির পাশাপাশি আমি একাধারে একজন গীতিকার, সুরকার, স্ক্রিপ্ট রাইটার এবং প্রযোজক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি।"
Update Time : ১২:২৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৬৭ Time View

জাতিসংঘে প্রথমবার ভাষণে যেসব বিষয় তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Update Time : ১২:২৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বেঙ্গল আই ডেস্ক | জাতীয় ও আন্তর্জাতিক

প্রায় চার দশক পর জাতিসংঘের অধিবেশনে লাল-সবুজের পতাকার প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন নতুন নেতৃত্ব। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে চলমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে ও মানুষের প্রত্যাশা তুলে ধরতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন সরকারপ্রধান।

একনজরে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের বিস্তারিত তথ্য:

বিবরণতথ্য
সফরের উদ্দেশ্যজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ
যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে যাত্রা২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে নৈশভোজ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভাষণের মূল বিষয়রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তন
দেশে প্রত্যাবর্তন২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু অর্থায়নে জোর

এবারের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে মূলত দুটি বিষয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে— রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ জানান, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে জোর দেবে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য যারা দায়ী, তাদেরই এই অর্থ দেওয়া উচিত। এ জন্য ‘গ্র্যান্ট-বেসড ক্লাইমেট ফিন্যান্স’ বা অনুদানভিত্তিক জলবায়ু তহবিল গড়ে তোলার জন্য বিএনপি সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। জাতিসংঘে আমরা এই অনুদানভিত্তিক অর্থায়নের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরব।”

পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ ও নতুন বিনিয়োগের আশা

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের অভ্যন্তরে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, বিশ্বনেতাদের সামনে সেসবও তুলে ধরা হবে। বিশেষ করে খাল খনন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগিয়ে কার্বন নিঃসরণ কমানোর যে মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, তা বিশ্বমঞ্চে উপস্থাপন করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ ব্যাপকভাবে বাড়বে। সাইমুম পারভেজ বলেন, “নতুন সরকার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করতে চায়। বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় আমাদের এই অংশগ্রহণের ফলে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থের একটি সমন্বয় হবে, যার মাধ্যমে আমরা নতুন বিনিয়োগ আনতে সক্ষম হব।”