০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাবির দায়ের কোপে প্রা*ণ গেল যুবকের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সুমন মিয়া (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বসতবাড়ির সীমানা ঘেঁষা চলাচলের পথে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে সুমন মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রতিবেশী চাচাতো ভাই প্রবাসী সাত্তার মিয়ার পরিবারের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে, সাত্তার মিয়ার স্ত্রী রোমেনা বেগম (৩০) ঘর থেকে দা এনে সুমন মিয়ার হাত ও বুকে এলোপাতাড়ি কোপ দেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর অভিযুক্ত রোমেনা বেগম পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পুলিশ তার শাশুড়ি বানু আরা বেগম (৬৫) কে আটক করেছে।

সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, নিহতের মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

Update Time : ০১:৩৫:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
৩৪ Time View

ভাবির দায়ের কোপে প্রা*ণ গেল যুবকের

Update Time : ০১:৩৫:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সুমন মিয়া (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বসতবাড়ির সীমানা ঘেঁষা চলাচলের পথে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার দিকে সুমন মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রতিবেশী চাচাতো ভাই প্রবাসী সাত্তার মিয়ার পরিবারের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে, সাত্তার মিয়ার স্ত্রী রোমেনা বেগম (৩০) ঘর থেকে দা এনে সুমন মিয়ার হাত ও বুকে এলোপাতাড়ি কোপ দেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর অভিযুক্ত রোমেনা বেগম পালিয়ে যান। এ ঘটনায় পুলিশ তার শাশুড়ি বানু আরা বেগম (৬৫) কে আটক করেছে।

সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, নিহতের মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।