০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাছ-মাংসের বাজার স্থিতিশীল, কিছুটা কমেছে ব্রয়লার দাম

ছবিঃ সংগৃহীত

পবিত্র মাহে রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজধানীর বাজারে মাছ, ব্রয়লার মুরগি ও গরুর মাংসের দাম মোটামুটি অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে প্রথম সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে। বর্তমানে বাজারে ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, ধানমন্ডি ও রায়েরবাজার এলাকায় ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। সোনালি জাতের মুরগিও কিছুটা কমেছে। বর্তমানে কেজি ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সপ্তাহখানেক আগে ছিল ৩২০ টাকা। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজি ৮০০ টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত।

মাছের বাজারে দেখা গেছে, পাঙ্গাস কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৫০ টাকা, বেলে ২৫০ টাকা, বাইন ৬০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, কই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা ও টাকি ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ির দাম আকার ও জাতভেদে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত উঠানামা করছে।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে বাজার করতে আসা কাঞ্চন মিয়া বলেন, এক কেজি পাঙ্গাস ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। আগে এই মাছগুলোর দাম তুলনামূলক কম ছিল। এখন রুই, কাতলা বা টেংরা কিনতে গেলে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকার বাজেট লাগে। নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে এত দামে মাছ কেনা কঠিন।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরু ও মুরগির তুলনায় মাছের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। অনেকেই দাম জিজ্ঞেস করে চলে যাচ্ছেন। বিক্রেতারা জানান, ব্রয়লার মুরগির বাজারে সরবরাহ বেড়েছে, ফলে দাম কিছুটা কমেছে। তবে ক্রেতা তুলনামূলক কম।

রায়েরবাজারের মুরগি ব্যবসায়ী জামাল হোসেন বলেন, বাজারে ব্রয়লার মুরগির সংকট নেই। পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দামও কমেছে।

ক্রেতা আনিসুল ইসলাম বলেন, আজ ১৭৫ টাকায় ব্রয়লার মুরগি কিনেছেন। তিনি প্রায় দেড় কেজির একটি মুরগি ৩০০ টাকায় কিনেছেন। প্রথম রোজার দিনে তাঁকে কেজি ১৯০ টাকা দিতে হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০৮:১০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
২৫৫ Time View

মাছ-মাংসের বাজার স্থিতিশীল, কিছুটা কমেছে ব্রয়লার দাম

Update Time : ০৮:১০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

পবিত্র মাহে রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজধানীর বাজারে মাছ, ব্রয়লার মুরগি ও গরুর মাংসের দাম মোটামুটি অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে প্রথম সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে। বর্তমানে বাজারে ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, ধানমন্ডি ও রায়েরবাজার এলাকায় ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। সোনালি জাতের মুরগিও কিছুটা কমেছে। বর্তমানে কেজি ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সপ্তাহখানেক আগে ছিল ৩২০ টাকা। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজি ৮০০ টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত।

মাছের বাজারে দেখা গেছে, পাঙ্গাস কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৫০ টাকা, বেলে ২৫০ টাকা, বাইন ৬০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, কই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা ও টাকি ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ির দাম আকার ও জাতভেদে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত উঠানামা করছে।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে বাজার করতে আসা কাঞ্চন মিয়া বলেন, এক কেজি পাঙ্গাস ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। আগে এই মাছগুলোর দাম তুলনামূলক কম ছিল। এখন রুই, কাতলা বা টেংরা কিনতে গেলে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকার বাজেট লাগে। নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে এত দামে মাছ কেনা কঠিন।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরু ও মুরগির তুলনায় মাছের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। অনেকেই দাম জিজ্ঞেস করে চলে যাচ্ছেন। বিক্রেতারা জানান, ব্রয়লার মুরগির বাজারে সরবরাহ বেড়েছে, ফলে দাম কিছুটা কমেছে। তবে ক্রেতা তুলনামূলক কম।

রায়েরবাজারের মুরগি ব্যবসায়ী জামাল হোসেন বলেন, বাজারে ব্রয়লার মুরগির সংকট নেই। পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দামও কমেছে।

ক্রেতা আনিসুল ইসলাম বলেন, আজ ১৭৫ টাকায় ব্রয়লার মুরগি কিনেছেন। তিনি প্রায় দেড় কেজির একটি মুরগি ৩০০ টাকায় কিনেছেন। প্রথম রোজার দিনে তাঁকে কেজি ১৯০ টাকা দিতে হয়েছিল।