০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট অমিতাভ বচ্চনের

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরাবরই সক্রিয় বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। ব্যক্তিগত অনুভূতি থেকে জীবনদর্শন—সবকিছুই তিনি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। এবার মাকে স্মরণ করে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

অমিতাভ লিখেছেন, “আমরা অনেক সময় খুব ছোট সমস্যাকেও বড় করে দেখি এবং তা নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা করি। অথচ দৃষ্টিভঙ্গিতে সামান্য পরিবর্তন আনলেই বা সহজ কোনো সমাধান খুঁজে নিলেই অনেক জটিলতা মিটে যেতে পারে।”

তিনি মনে করেন, যে বিষয়গুলো দীর্ঘদিন মানুষকে অস্বস্তিতে রাখে, সেগুলোও ছোট্ট পরিবর্তনে সহজ হয়ে যেতে পারে। তখন নিজের কাছেই প্রশ্ন জাগে—এইটুকু বিষয় নিয়ে এত চিন্তার আদৌ প্রয়োজন ছিল কি না।

শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, জীবনের কঠিন সময়ে তার মা তেজি বচ্চন ছিলেন সবচেয়ে বড় ভরসা। কখনো মমতার স্পর্শে, আবার কখনো অনন্য উপায়ে তিনি মুহূর্তেই সব অস্বস্তি দূর করে দিতেন। মায়ের সেই ছোট ছোট যত্নই তাকে গভীর আশ্বাস দিত, যা আজও তার জীবনে প্রভাব ফেলে।

আবেগাপ্লুত হয়ে অমিতাভ স্বীকার করেন, মা শারীরিকভাবে আর পাশে না থাকলেও তার উপস্থিতি তিনি প্রতিনিয়ত অনুভব করেন। তার ভাষায়, “মা নেই ঠিকই, কিন্তু শুধু মনে মনে স্মরণ করলেই যেন সেই শান্তি ফিরে আসে। মনে হয়, দূরে থেকেও মা আজও আমাকে আগলে রেখেছেন।”

উল্লেখ্য, এর আগেও অমিতাভ বচ্চন তার সাফল্যের পেছনে মায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেছেন। ২০১৮ সালের এক ব্লগে তিনি জানান, অভিনয়জগতে আসার পেছনে তার প্রধান অনুপ্রেরণা ছিলেন মা তেজি বচ্চন, যিনি ছোটবেলা থেকেই তাকে গান, নাচ ও নাটকের সঙ্গে পরিচিত করে তুলেছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০৮:০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
২৭৯ Time View

মাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট অমিতাভ বচ্চনের

Update Time : ০৮:০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরাবরই সক্রিয় বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। ব্যক্তিগত অনুভূতি থেকে জীবনদর্শন—সবকিছুই তিনি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। এবার মাকে স্মরণ করে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

অমিতাভ লিখেছেন, “আমরা অনেক সময় খুব ছোট সমস্যাকেও বড় করে দেখি এবং তা নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা করি। অথচ দৃষ্টিভঙ্গিতে সামান্য পরিবর্তন আনলেই বা সহজ কোনো সমাধান খুঁজে নিলেই অনেক জটিলতা মিটে যেতে পারে।”

তিনি মনে করেন, যে বিষয়গুলো দীর্ঘদিন মানুষকে অস্বস্তিতে রাখে, সেগুলোও ছোট্ট পরিবর্তনে সহজ হয়ে যেতে পারে। তখন নিজের কাছেই প্রশ্ন জাগে—এইটুকু বিষয় নিয়ে এত চিন্তার আদৌ প্রয়োজন ছিল কি না।

শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, জীবনের কঠিন সময়ে তার মা তেজি বচ্চন ছিলেন সবচেয়ে বড় ভরসা। কখনো মমতার স্পর্শে, আবার কখনো অনন্য উপায়ে তিনি মুহূর্তেই সব অস্বস্তি দূর করে দিতেন। মায়ের সেই ছোট ছোট যত্নই তাকে গভীর আশ্বাস দিত, যা আজও তার জীবনে প্রভাব ফেলে।

আবেগাপ্লুত হয়ে অমিতাভ স্বীকার করেন, মা শারীরিকভাবে আর পাশে না থাকলেও তার উপস্থিতি তিনি প্রতিনিয়ত অনুভব করেন। তার ভাষায়, “মা নেই ঠিকই, কিন্তু শুধু মনে মনে স্মরণ করলেই যেন সেই শান্তি ফিরে আসে। মনে হয়, দূরে থেকেও মা আজও আমাকে আগলে রেখেছেন।”

উল্লেখ্য, এর আগেও অমিতাভ বচ্চন তার সাফল্যের পেছনে মায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেছেন। ২০১৮ সালের এক ব্লগে তিনি জানান, অভিনয়জগতে আসার পেছনে তার প্রধান অনুপ্রেরণা ছিলেন মা তেজি বচ্চন, যিনি ছোটবেলা থেকেই তাকে গান, নাচ ও নাটকের সঙ্গে পরিচিত করে তুলেছিলেন।