০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৩১ কারিগর ও ২৫৬ ঘণ্টার শ্রমে তৈরি আমিরের রাজকীয় বিয়ের আংটি!

বেঙ্গল আই ডেস্ক | বিনোদন

বলিউড অভিনেতা আমির খান সম্প্রতি মুম্বাইয়ের পালি হিলে নিজ বাসভবনে ঘরোয়া আয়োজনে গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বিয়ের পর থেকেই তাদের এই আয়োজন এবং বিশেষ করে গৌরীর হাতের রাজকীয় আংটি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল দেখা দিয়েছে।

একনজরে আমিরের বিয়ের আংটির চমকপ্রদ তথ্য:

বিবরণতথ্য
আংটির মূল রত্নমাদাগাস্কারের প্রাকৃতিক ক্যাবোশন-কাট রুবি
জুয়েলারি ব্র্যান্ডকুইন (Queen)
রত্ন সংগ্রহের সময়৩ মাসের বেশি
নির্মাণে ব্যয়িত সময়২৫৬ ঘণ্টা
কারিগর সংখ্যা১৩১ জন দক্ষ কারিগর
নকশার বিশেষত্বসোনার মুকুট-আকৃতির সেটিং ও প্রাকৃতিক হীরার অলঙ্করণ

হীরার বদলে বিরল রুবি

ভারতীয় গণমাধ্যম পিঙ্কভিলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গৌরী স্প্র্যাটকে আমির যে আংটিটি পরিয়েছেন, সেটি শুধু দামিই নয়, বরং অত্যন্ত বিরল একটি শিল্পকর্ম। সাধারণত তারকাদের বিয়েতে বিশাল আকারের হীরার আংটি দেখা গেলেও, আমির এক্ষেত্রে বেছে নিয়েছেন মাদাগাস্কার থেকে সংগ্রহ করা প্রাকৃতিক ক্যাবোশন-কাট রুবি। বিলাসবহুল জুয়েলারি ব্র্যান্ড ‘কুইন’ এই বিশেষ আংটিটি তৈরি করেছে।

১৩১ কারিগরের ২৫৬ ঘণ্টার শ্রম

ব্র্যান্ডটির সহ-প্রতিষ্ঠাতার ভাষ্যমতে, এমন উন্নত মানের একটি প্রাকৃতিক রুবি সংগ্রহ করতেই তাদের তিন মাসের বেশি সময় লেগেছে। এরপর আংটির নকশা, রুবি বসানো, কারুকাজ এবং চূড়ান্ত ফিনিশিংয়ের কাজ সম্পন্ন করতে মোট ২৫৬ ঘণ্টা সময় ব্যয় করা হয়েছে। সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই একটি আংটি তৈরির পুরো প্রক্রিয়ায় নিপুণভাবে কাজ করেছেন ১৩১ জন দক্ষ কারিগর।

রাজকীয় নকশা ও সৌন্দর্য

আংটির নকশাতেও রাখা হয়েছে রাজকীয় ছোঁয়া। সোনার তৈরি মুকুট-আকৃতির সেটিংয়ে বসানো হয়েছে বিরল এই রুবিটি। এর চারপাশে থাকা সূক্ষ্ম কারুকাজ, ভিনটেজ ডিজাইন এবং প্রাকৃতিক হীরার অলঙ্করণ আংটিটিকে দিয়েছে অনন্য এক সৌন্দর্য।

আংটিটির দাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও, বিরল রুবি, দীর্ঘ সময়ের নিখুঁত কারুকাজ এবং বিপুল সংখ্যক কারিগরের শ্রমে তৈরি এই রত্নটিকে ইতোমধ্যেই বলিউডের অন্যতম আলোচিত ও মূল্যবান বিয়ের আংটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০৮:৪৬:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
৬৭ Time View

১৩১ কারিগর ও ২৫৬ ঘণ্টার শ্রমে তৈরি আমিরের রাজকীয় বিয়ের আংটি!

Update Time : ০৮:৪৬:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বেঙ্গল আই ডেস্ক | বিনোদন

বলিউড অভিনেতা আমির খান সম্প্রতি মুম্বাইয়ের পালি হিলে নিজ বাসভবনে ঘরোয়া আয়োজনে গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বিয়ের পর থেকেই তাদের এই আয়োজন এবং বিশেষ করে গৌরীর হাতের রাজকীয় আংটি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল দেখা দিয়েছে।

একনজরে আমিরের বিয়ের আংটির চমকপ্রদ তথ্য:

বিবরণতথ্য
আংটির মূল রত্নমাদাগাস্কারের প্রাকৃতিক ক্যাবোশন-কাট রুবি
জুয়েলারি ব্র্যান্ডকুইন (Queen)
রত্ন সংগ্রহের সময়৩ মাসের বেশি
নির্মাণে ব্যয়িত সময়২৫৬ ঘণ্টা
কারিগর সংখ্যা১৩১ জন দক্ষ কারিগর
নকশার বিশেষত্বসোনার মুকুট-আকৃতির সেটিং ও প্রাকৃতিক হীরার অলঙ্করণ

হীরার বদলে বিরল রুবি

ভারতীয় গণমাধ্যম পিঙ্কভিলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গৌরী স্প্র্যাটকে আমির যে আংটিটি পরিয়েছেন, সেটি শুধু দামিই নয়, বরং অত্যন্ত বিরল একটি শিল্পকর্ম। সাধারণত তারকাদের বিয়েতে বিশাল আকারের হীরার আংটি দেখা গেলেও, আমির এক্ষেত্রে বেছে নিয়েছেন মাদাগাস্কার থেকে সংগ্রহ করা প্রাকৃতিক ক্যাবোশন-কাট রুবি। বিলাসবহুল জুয়েলারি ব্র্যান্ড ‘কুইন’ এই বিশেষ আংটিটি তৈরি করেছে।

১৩১ কারিগরের ২৫৬ ঘণ্টার শ্রম

ব্র্যান্ডটির সহ-প্রতিষ্ঠাতার ভাষ্যমতে, এমন উন্নত মানের একটি প্রাকৃতিক রুবি সংগ্রহ করতেই তাদের তিন মাসের বেশি সময় লেগেছে। এরপর আংটির নকশা, রুবি বসানো, কারুকাজ এবং চূড়ান্ত ফিনিশিংয়ের কাজ সম্পন্ন করতে মোট ২৫৬ ঘণ্টা সময় ব্যয় করা হয়েছে। সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই একটি আংটি তৈরির পুরো প্রক্রিয়ায় নিপুণভাবে কাজ করেছেন ১৩১ জন দক্ষ কারিগর।

রাজকীয় নকশা ও সৌন্দর্য

আংটির নকশাতেও রাখা হয়েছে রাজকীয় ছোঁয়া। সোনার তৈরি মুকুট-আকৃতির সেটিংয়ে বসানো হয়েছে বিরল এই রুবিটি। এর চারপাশে থাকা সূক্ষ্ম কারুকাজ, ভিনটেজ ডিজাইন এবং প্রাকৃতিক হীরার অলঙ্করণ আংটিটিকে দিয়েছে অনন্য এক সৌন্দর্য।

আংটিটির দাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও, বিরল রুবি, দীর্ঘ সময়ের নিখুঁত কারুকাজ এবং বিপুল সংখ্যক কারিগরের শ্রমে তৈরি এই রত্নটিকে ইতোমধ্যেই বলিউডের অন্যতম আলোচিত ও মূল্যবান বিয়ের আংটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।