শ্রীমঙ্গলে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দিল পুলিশ: হাসনাত-নাসীরুদ্দীনের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি
বেঙ্গল আই ডেস্ক | সারাদেশ (মৌলভীবাজার)
১৪৪ ধারা জারির মধ্যে মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথে শ্রীমঙ্গলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃবৃন্দের গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়কের চা কন্যা ভাস্কর্য এলাকায় সড়ক বন্ধ করে তাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়।
একনজরে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহর আটকে দেওয়ার ঘটনা:
| বিবরণ | তথ্য |
| মূল ঘটনা | এনসিপি নেতাদের গাড়িবহর আটকে দেওয়া ও পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি |
| স্থান | চা কন্যা ভাস্কর্য এলাকা, শায়েস্তাগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সড়ক |
| সময় | বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬), বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট |
| উপস্থিত নেতৃবৃন্দ | নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আখতার হোসেন, ডা. মাহমুদা মিতু |
| গন্তব্য | মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জ |
| পুলিশের ভাষ্য | ১৪৪ ধারা ও নিরাপত্তাজনিত কারণে বাধা প্রদান |
নেতৃবৃন্দের বাগবিতণ্ডা ও পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু।
শ্রীমঙ্গল শহর থেকে হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে চা কন্যা ভাস্কর্য এলাকায় পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের গাড়িবহর আটকে দেয়। এ সময় গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় এনসিপির শীর্ষ নেতাদের। কথা বলার একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে হাসনাত আবদুল্লাহ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে পুলিশের সঙ্গে সরাসরি ধাক্কাধাক্কি করতে দেখা যায়।
সড়কে যানজট ও পুলিশের বক্তব্য
এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেওয়ার ফলে ওই সময় সড়কের দুপাশে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু জানান, ১৪৪ ধারা জারি থাকা এবং সার্বিক নিরাপত্তাজনিত কারণেই তাদের গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয়েছে।


























