০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে দেশে সফল কিডনি প্রতিস্থাপন

বেঙ্গল আই ডেস্ক | স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে যুক্ত হলো এক নতুন অধ্যায়। এখন থেকে কেবল রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়রাই নন, বরং মানবিক কারণে স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসা যে কেউ কিডনি দান করতে পারবেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই যুগান্তকারী খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।
তিনি জানান, দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগীয় দাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছে বিএমইউ। এর ফলে আইনি কোনো জটিলতা ছাড়াই সাধারণ মানুষ স্বেচ্ছায় কিডনি অনুদান করতে পারবেন, যা দেশের হাজারো কিডনি রোগীর জন্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
একনজরে নতুন এই নির্দেশনার বিস্তারিত:
বিবরণ
তথ্য
সংবাদের মূল বিষয়
ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপনের অনুমোদন
ঘোষণাকারী
অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী (উপাচার্য, বিএমইউ)
প্রধান শর্ত
কোনো অবস্থাতেই অর্থ লেনদেন করা যাবে না
বর্তমান সাফল্য
বিএমইউ-তে সফলভাবে ৬টি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন
কঠোর যাচাই-বাছাই ও বিশেষজ্ঞ টিমের নজরদারি
স্বেচ্ছায় কিডনি দানের ক্ষেত্রে ডোনার বা দাতা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। বিএমইউ উপাচার্য জানান, আবেগীয় দাতাদের তথ্য যাচাই-বাছাই করতে বেশ কয়েকটি স্বাধীন সংস্থা একত্রে কাজ করছে। আইনি ভিত্তিগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার পাশাপাশি হাসপাতালের একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম সার্বিক বিষয়ে গভীরভাবে তদন্ত করবে। দাতার সত্যতা নিশ্চিত করার পরই তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। কিডনি প্রতিস্থাপন একটি স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় দাতার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
দীর্ঘদিনের জটিলতার অবসান ও নতুন সম্ভাবনা
বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ কিডনি বিকল হয়ে মারা যান। সঠিক সময়ে ডোনার না পাওয়ার কারণে অনেক রোগীর জীবন হুমকির মুখে পড়ে। প্রচলিত আইনে কেবল বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী বা খুব কাছের রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়রাই কেবল কিডনি দান করতে পারতেন। কিন্তু অনেক সময় রোগীর সাথে আত্মীয়দের রক্তের গ্রুপ বা টিস্যু না মেলার কারণে প্রতিস্থাপন সম্ভব হতো না।
‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগীয় দাতার স্বীকৃতি মেলার ফলে এই বিশাল বাধা দূর হলো। এখন বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী বা যেকোনো সহৃদয় ব্যক্তি চাইলেই আরেকজন মানুষের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসতে পারবেন।
(এখানে আপনার ওয়েবসাইটের অন্য একটি স্বাস্থ্য বিষয়ক খবরের লিংক বা ‘আরও পড়ুন’ যুক্ত করে দিন)
আর্থিক লেনদেনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা
কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় শর্ত হলো— কোনো অবস্থাতেই কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন হতে পারবে না। এটি সম্পূর্ণ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে হতে হবে। দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতায় দেশে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট কার্যক্রম বেশ কিছুদিন বাধাগ্রস্ত ছিল। ফলে অনেক রোগীকে বাধ্য হয়ে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হতো, যা ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তবে এই নতুন উদ্যোগের ফলে এখন থেকে কিডনি রোগীরা দেশেই নিয়মিত চিকিৎসা সেবা পাবেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সফলভাবে ছয়টি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী দিনে এই উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্য খাতে একটি বড় পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে যুক্ত হলো এক নতুন অধ্যায়। এখন থেকে কেবল রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়রাই নন, বরং মানবিক কারণে স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসা যে কেউ কিডনি দান করতে পারবেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই যুগান্তকারী খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। তিনি জানান, দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগীয় দাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছে বিএমইউ। এর ফলে আইনি কোনো জটিলতা ছাড়াই সাধারণ মানুষ স্বেচ্ছায় কিডনি অনুদান করতে পারবেন, যা কিডনি রোগীদের জন্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

একনজরে কিডনি প্রতিস্থাপন বিষয়ক নতুন নির্দেশনার বিস্তারিত:

বিবরণতথ্য
সংবাদের মূল বিষয়ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপনের অনুমোদন
ঘোষণাকারীঅধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী (উপাচার্য, বিএমইউ)
তারিখ ও সময়শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডোনার বা দাতানিকট আত্মীয় ছাড়াও স্বেচ্ছায় যে কেউ (আর্থিক লেনদেন ছাড়া)
বর্তমান সাফল্যবিএমইউ-তে সফলভাবে ৬টি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন

কঠোর যাচাই-বাছাই ও বিশেষজ্ঞ টিমের নজরদারি

স্বেচ্ছায় কিডনি দানের ক্ষেত্রে ডোনার যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। বিএমইউ উপাচার্য জানান, আবেগীয় দাতাদের তথ্য যাচাই-বাছাই করতে বেশ কয়েকটি স্বাধীন সংস্থা কাজ করছে। আইনি ভিত্তিগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার পাশাপাশি হাসপাতালের একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম সার্বিক বিষয়ে তদন্ত করে দাতার সত্যতা নিশ্চিত করার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

আর্থিক লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা ও দীর্ঘদিনের জটিলতার অবসান

কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় শর্ত হলো— কোনো অবস্থাতেই কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন হতে পারবে না। দীর্ঘদিনের নানা আইনি ও প্রক্রিয়াগত জটিলতায় দেশে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট কার্যক্রম বেশ কিছুদিন বাধাগ্রস্ত ছিল। তবে এই নতুন উদ্যোগের ফলে এখন থেকে কিডনি রোগীরা নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল সেবা পাবেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সফলভাবে ছয়টি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
AKM GULAM SARWAR

AKM GULAM SARWAR

"আমি এই নিউজ পোর্টালের স্বত্বাধিকারী ও সম্পাদক এবং একজন নিবেদিত সমাজকর্মী। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের পাশাপাশি বেঙ্গল আই টিভিতে 'সত্যের সন্ধানে' ও 'জনমত' নামের দুটি অনুষ্ঠান নিয়মিত উপস্থাপনা করছি। সাংবাদিকতা ও সমাজসেবার বাইরে শিল্প-সাহিত্যের প্রতি আমার গভীর অনুরাগ রয়েছে। লেখালেখির পাশাপাশি আমি একাধারে একজন গীতিকার, সুরকার, স্ক্রিপ্ট রাইটার এবং প্রযোজক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি।"
Update Time : ১১:৩১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৮৮ Time View

ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে দেশে সফল কিডনি প্রতিস্থাপন

Update Time : ১১:৩১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বেঙ্গল আই ডেস্ক | স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে যুক্ত হলো এক নতুন অধ্যায়। এখন থেকে কেবল রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়রাই নন, বরং মানবিক কারণে স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসা যে কেউ কিডনি দান করতে পারবেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই যুগান্তকারী খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।
তিনি জানান, দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগীয় দাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছে বিএমইউ। এর ফলে আইনি কোনো জটিলতা ছাড়াই সাধারণ মানুষ স্বেচ্ছায় কিডনি অনুদান করতে পারবেন, যা দেশের হাজারো কিডনি রোগীর জন্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
একনজরে নতুন এই নির্দেশনার বিস্তারিত:
বিবরণ
তথ্য
সংবাদের মূল বিষয়
ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপনের অনুমোদন
ঘোষণাকারী
অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী (উপাচার্য, বিএমইউ)
প্রধান শর্ত
কোনো অবস্থাতেই অর্থ লেনদেন করা যাবে না
বর্তমান সাফল্য
বিএমইউ-তে সফলভাবে ৬টি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন
কঠোর যাচাই-বাছাই ও বিশেষজ্ঞ টিমের নজরদারি
স্বেচ্ছায় কিডনি দানের ক্ষেত্রে ডোনার বা দাতা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। বিএমইউ উপাচার্য জানান, আবেগীয় দাতাদের তথ্য যাচাই-বাছাই করতে বেশ কয়েকটি স্বাধীন সংস্থা একত্রে কাজ করছে। আইনি ভিত্তিগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার পাশাপাশি হাসপাতালের একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম সার্বিক বিষয়ে গভীরভাবে তদন্ত করবে। দাতার সত্যতা নিশ্চিত করার পরই তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। কিডনি প্রতিস্থাপন একটি স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় দাতার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
দীর্ঘদিনের জটিলতার অবসান ও নতুন সম্ভাবনা
বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ কিডনি বিকল হয়ে মারা যান। সঠিক সময়ে ডোনার না পাওয়ার কারণে অনেক রোগীর জীবন হুমকির মুখে পড়ে। প্রচলিত আইনে কেবল বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী বা খুব কাছের রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়রাই কেবল কিডনি দান করতে পারতেন। কিন্তু অনেক সময় রোগীর সাথে আত্মীয়দের রক্তের গ্রুপ বা টিস্যু না মেলার কারণে প্রতিস্থাপন সম্ভব হতো না।
‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগীয় দাতার স্বীকৃতি মেলার ফলে এই বিশাল বাধা দূর হলো। এখন বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী বা যেকোনো সহৃদয় ব্যক্তি চাইলেই আরেকজন মানুষের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসতে পারবেন।
(এখানে আপনার ওয়েবসাইটের অন্য একটি স্বাস্থ্য বিষয়ক খবরের লিংক বা ‘আরও পড়ুন’ যুক্ত করে দিন)
আর্থিক লেনদেনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা
কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় শর্ত হলো— কোনো অবস্থাতেই কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন হতে পারবে না। এটি সম্পূর্ণ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে হতে হবে। দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতায় দেশে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট কার্যক্রম বেশ কিছুদিন বাধাগ্রস্ত ছিল। ফলে অনেক রোগীকে বাধ্য হয়ে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হতো, যা ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তবে এই নতুন উদ্যোগের ফলে এখন থেকে কিডনি রোগীরা দেশেই নিয়মিত চিকিৎসা সেবা পাবেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সফলভাবে ছয়টি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী দিনে এই উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্য খাতে একটি বড় পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

বাংলাদেশের চিকিৎসা খাতে যুক্ত হলো এক নতুন অধ্যায়। এখন থেকে কেবল রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়রাই নন, বরং মানবিক কারণে স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসা যে কেউ কিডনি দান করতে পারবেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই যুগান্তকারী খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। তিনি জানান, দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমোশনাল ডোনার’ বা আবেগীয় দাতার মাধ্যমে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছে বিএমইউ। এর ফলে আইনি কোনো জটিলতা ছাড়াই সাধারণ মানুষ স্বেচ্ছায় কিডনি অনুদান করতে পারবেন, যা কিডনি রোগীদের জন্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

একনজরে কিডনি প্রতিস্থাপন বিষয়ক নতুন নির্দেশনার বিস্তারিত:

বিবরণতথ্য
সংবাদের মূল বিষয়ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপনের অনুমোদন
ঘোষণাকারীঅধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী (উপাচার্য, বিএমইউ)
তারিখ ও সময়শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডোনার বা দাতানিকট আত্মীয় ছাড়াও স্বেচ্ছায় যে কেউ (আর্থিক লেনদেন ছাড়া)
বর্তমান সাফল্যবিএমইউ-তে সফলভাবে ৬টি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন

কঠোর যাচাই-বাছাই ও বিশেষজ্ঞ টিমের নজরদারি

স্বেচ্ছায় কিডনি দানের ক্ষেত্রে ডোনার যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। বিএমইউ উপাচার্য জানান, আবেগীয় দাতাদের তথ্য যাচাই-বাছাই করতে বেশ কয়েকটি স্বাধীন সংস্থা কাজ করছে। আইনি ভিত্তিগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার পাশাপাশি হাসপাতালের একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম সার্বিক বিষয়ে তদন্ত করে দাতার সত্যতা নিশ্চিত করার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

আর্থিক লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা ও দীর্ঘদিনের জটিলতার অবসান

কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় শর্ত হলো— কোনো অবস্থাতেই কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন হতে পারবে না। দীর্ঘদিনের নানা আইনি ও প্রক্রিয়াগত জটিলতায় দেশে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট কার্যক্রম বেশ কিছুদিন বাধাগ্রস্ত ছিল। তবে এই নতুন উদ্যোগের ফলে এখন থেকে কিডনি রোগীরা নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল সেবা পাবেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সফলভাবে ছয়টি কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করা হয়।