০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“ খালি বাসায় বন্ধুদের সাথে কী করেছিলেন ইকরা ? প্রশ্ন জাহের আলভী’র”

স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার রহস্যজনক মৃত্যুর পর আত্মগোপনে থাকা ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি এসব দাবি করেন। পোস্টটিকে তিনি নিজের “শেষ পোস্ট” বলেও উল্লেখ করেছেন।

স্ট্যাটাসে আলভী জানান, আইনের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই তিনি সব ধরনের তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। তিনি লিখেছেন, সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে আইন তার বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপ নিলে তিনি তা মেনে নেবেন। তবে ভবিষ্যতে যদি তাকে অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হয়, সেক্ষেত্রে সত্য উদঘাটনের স্বার্থে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তিনি জনসম্মুখে রেখে যেতে চান।

সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে আলভীর দাবি

স্ট্যাটাসের শুরুতেই আলভী তাদের বাসায় থাকা একটি সিসিটিভি ক্যামেরার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাসার ড্রইং কাম ডাইনিং এলাকায় একটি সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে, যার এক্সেস তার কাছে ছিল না। ক্যামেরাটি ইকরার মোবাইল ফোনের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল এবং সেটির নিয়ন্ত্রণও তার স্ত্রীর হাতেই ছিল।

আলভীর দাবি, বর্তমানে ইকরার মোবাইল ফোন ও সিসিটিভির মেমরি কার্ড পুলিশের হেফাজতে রয়েছে এবং তা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সিসিটিভি ফুটেজে গত কয়েক দিনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনার প্রমাণ থাকতে পারে।

তিনি বলেন, তিনি নেপালে যাওয়ার আগে ২৫ তারিখ দুপুরে বাসা থেকে বের হন। এরপর ২৫, ২৬ ও ২৭ তারিখ—এই তিন দিন সন্ধ্যার পর তাদের বাসায় ইকরার কয়েকজন বন্ধু আসেন। সিসিটিভি ফুটেজে তাদের আগমন ও অবস্থানের বিষয়টি ধরা পড়ে থাকতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।

বন্ধুদের উপস্থিতি ও অভিযোগ

আলভীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২৫ ও ২৬ তারিখে ইকরার দুই বান্ধবী বাসায় এসেছিলেন। আর ২৭ তারিখ রাতে দুই বান্ধবীর সঙ্গে একজন ছেলে বন্ধুও উপস্থিত ছিলেন এবং তারা গভীর রাত পর্যন্ত বাসায় ছিলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ওই সময় তারা ধূমপান, মদ্যপান এমনকি মাদক সেবন করেছিলেন বলে তার কাছে তথ্য রয়েছে। আলভীর দাবি, এসব বিষয় সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যেতে পারে এবং সঠিক তদন্তের জন্য এই ফুটেজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, দুর্ঘটনার আগের দিন ইকরা তার সহকারীকে দিয়ে সিগারেট ও ঘুমের ওষুধ আনিয়েছিলেন। তার সহকারীর দেওয়া বক্তব্য ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে লিখিতভাবে জমা রয়েছে বলেও দাবি করেন আলভী।

তিনি সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সিসিটিভির এই তিন দিনের ফুটেজ যেন কোনোভাবেই মুছে ফেলা না হয় এবং তদন্তে যেন তা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়।

মোবাইল ফোন ও কথোপকথন যাচাইয়ের দাবি

স্ট্যাটাসে আলভী আরও বলেন, ইকরার মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। তার মতে, ফোনের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেমন মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য অ্যাপের কথোপকথন এবং কল লিস্ট থেকে ওই সময়কার বিভিন্ন ঘটনার সূত্র পাওয়া যেতে পারে।

তিনি দাবি করেন, কে ইকরার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় করেছে, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে জানা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তার নিজের ফোনও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য দিতে তিনি প্রস্তুত।

পোস্টমর্টেম রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন

আলভী তার স্ট্যাটাসে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট নিয়েও কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, যদি ঘটনার আগের রাতে মদ্যপান বা মাদক সেবন হয়ে থাকে, তবে তা পোস্টমর্টেম রিপোর্টে উল্লেখ থাকার কথা।

তাই তিনি অনুরোধ করেন, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট যেন কোনোভাবেই পরিবর্তন বা বিকৃত না করা হয় এবং পুরো বিষয়টি স্বচ্ছভাবে তদন্ত করা হয়।

ব্যক্তিগত জীবনের প্রসঙ্গ

স্ট্যাটাসে আলভী তার ও ইকরার ব্যক্তিগত জীবনের কিছু বিষয়ও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তাদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে টানাপোড়েন, ভুল বোঝাবুঝি ও ঝগড়া হয়েছে—যা অনেক সংসারেই ঘটে থাকে।

তার দাবি, একসময় ইকরা তাকে ছেড়ে অন্যত্র বিয়েও করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে ভুল বুঝতে পেরে আবার তার কাছেই ফিরে আসেন এবং তিনি তাকে ক্ষমা করে গ্রহণ করেন।

আলভীর ভাষ্য অনুযায়ী, নানা সংকট ও পারিবারিক চাপের মধ্যেও তাদের সম্পর্ক টিকে ছিল। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভালোবাসা আরও গভীর হয়ে ওঠে এবং তাদের একটি সন্তানও রয়েছে।

ইকরার মৃত্যুর ঘটনা

উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় আফরা ইভনাথ খান ইকরাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে অভিনেতা জাহের আলভীকে। এছাড়া তার মাকেও আসামি করা হয়েছে।

দাম্পত্য জীবন

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে আফরা ইভনাথ খান ইকরাকে বিয়ে করেন জাহের আলভী। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তাদের ঘরে রিজিক নামে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

বর্তমানে এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০১:৫৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
৫৬ Time View

“ খালি বাসায় বন্ধুদের সাথে কী করেছিলেন ইকরা ? প্রশ্ন জাহের আলভী’র”

Update Time : ০১:৫৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার রহস্যজনক মৃত্যুর পর আত্মগোপনে থাকা ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি এসব দাবি করেন। পোস্টটিকে তিনি নিজের “শেষ পোস্ট” বলেও উল্লেখ করেছেন।

স্ট্যাটাসে আলভী জানান, আইনের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই তিনি সব ধরনের তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। তিনি লিখেছেন, সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে আইন তার বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপ নিলে তিনি তা মেনে নেবেন। তবে ভবিষ্যতে যদি তাকে অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হয়, সেক্ষেত্রে সত্য উদঘাটনের স্বার্থে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তিনি জনসম্মুখে রেখে যেতে চান।

সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে আলভীর দাবি

স্ট্যাটাসের শুরুতেই আলভী তাদের বাসায় থাকা একটি সিসিটিভি ক্যামেরার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাসার ড্রইং কাম ডাইনিং এলাকায় একটি সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে, যার এক্সেস তার কাছে ছিল না। ক্যামেরাটি ইকরার মোবাইল ফোনের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল এবং সেটির নিয়ন্ত্রণও তার স্ত্রীর হাতেই ছিল।

আলভীর দাবি, বর্তমানে ইকরার মোবাইল ফোন ও সিসিটিভির মেমরি কার্ড পুলিশের হেফাজতে রয়েছে এবং তা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সিসিটিভি ফুটেজে গত কয়েক দিনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনার প্রমাণ থাকতে পারে।

তিনি বলেন, তিনি নেপালে যাওয়ার আগে ২৫ তারিখ দুপুরে বাসা থেকে বের হন। এরপর ২৫, ২৬ ও ২৭ তারিখ—এই তিন দিন সন্ধ্যার পর তাদের বাসায় ইকরার কয়েকজন বন্ধু আসেন। সিসিটিভি ফুটেজে তাদের আগমন ও অবস্থানের বিষয়টি ধরা পড়ে থাকতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।

বন্ধুদের উপস্থিতি ও অভিযোগ

আলভীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২৫ ও ২৬ তারিখে ইকরার দুই বান্ধবী বাসায় এসেছিলেন। আর ২৭ তারিখ রাতে দুই বান্ধবীর সঙ্গে একজন ছেলে বন্ধুও উপস্থিত ছিলেন এবং তারা গভীর রাত পর্যন্ত বাসায় ছিলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ওই সময় তারা ধূমপান, মদ্যপান এমনকি মাদক সেবন করেছিলেন বলে তার কাছে তথ্য রয়েছে। আলভীর দাবি, এসব বিষয় সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যেতে পারে এবং সঠিক তদন্তের জন্য এই ফুটেজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, দুর্ঘটনার আগের দিন ইকরা তার সহকারীকে দিয়ে সিগারেট ও ঘুমের ওষুধ আনিয়েছিলেন। তার সহকারীর দেওয়া বক্তব্য ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে লিখিতভাবে জমা রয়েছে বলেও দাবি করেন আলভী।

তিনি সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সিসিটিভির এই তিন দিনের ফুটেজ যেন কোনোভাবেই মুছে ফেলা না হয় এবং তদন্তে যেন তা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়।

মোবাইল ফোন ও কথোপকথন যাচাইয়ের দাবি

স্ট্যাটাসে আলভী আরও বলেন, ইকরার মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। তার মতে, ফোনের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেমন মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য অ্যাপের কথোপকথন এবং কল লিস্ট থেকে ওই সময়কার বিভিন্ন ঘটনার সূত্র পাওয়া যেতে পারে।

তিনি দাবি করেন, কে ইকরার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় করেছে, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে জানা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তার নিজের ফোনও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য দিতে তিনি প্রস্তুত।

পোস্টমর্টেম রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন

আলভী তার স্ট্যাটাসে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট নিয়েও কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, যদি ঘটনার আগের রাতে মদ্যপান বা মাদক সেবন হয়ে থাকে, তবে তা পোস্টমর্টেম রিপোর্টে উল্লেখ থাকার কথা।

তাই তিনি অনুরোধ করেন, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট যেন কোনোভাবেই পরিবর্তন বা বিকৃত না করা হয় এবং পুরো বিষয়টি স্বচ্ছভাবে তদন্ত করা হয়।

ব্যক্তিগত জীবনের প্রসঙ্গ

স্ট্যাটাসে আলভী তার ও ইকরার ব্যক্তিগত জীবনের কিছু বিষয়ও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তাদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে টানাপোড়েন, ভুল বোঝাবুঝি ও ঝগড়া হয়েছে—যা অনেক সংসারেই ঘটে থাকে।

তার দাবি, একসময় ইকরা তাকে ছেড়ে অন্যত্র বিয়েও করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে ভুল বুঝতে পেরে আবার তার কাছেই ফিরে আসেন এবং তিনি তাকে ক্ষমা করে গ্রহণ করেন।

আলভীর ভাষ্য অনুযায়ী, নানা সংকট ও পারিবারিক চাপের মধ্যেও তাদের সম্পর্ক টিকে ছিল। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভালোবাসা আরও গভীর হয়ে ওঠে এবং তাদের একটি সন্তানও রয়েছে।

ইকরার মৃত্যুর ঘটনা

উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় আফরা ইভনাথ খান ইকরাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে অভিনেতা জাহের আলভীকে। এছাড়া তার মাকেও আসামি করা হয়েছে।

দাম্পত্য জীবন

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে আফরা ইভনাথ খান ইকরাকে বিয়ে করেন জাহের আলভী। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তাদের ঘরে রিজিক নামে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

বর্তমানে এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে।