দুই ম্যাচ জিতলেও সেমির পথ কঠিন সূর্যকুমারদের
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দাপট দেখিয়ে অপরাজিত থেকেই সুপার এইটে উঠেছিল ভারত। তবে দ্বিতীয় পর্বের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বিশাল ব্যবধানে হেরে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে এখন চাপে পড়েছে সূর্যকুমার যাদবের দল।
রোববার সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে এইডেন মার্করামের নেতৃত্বাধীন দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানে হারে ভারত। এই পরাজয়ের ফলে গ্রুপ ‘এ’-তে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে নেমে গেছে তারা। একই সঙ্গে ভারতের নেট রান রেট নেমে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক মাইনাস ৩.৮০-তে।
সুপার এইটের এই গ্রুপে থাকা চার দলই নিজ নিজ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে এসেছে, ফলে প্রতিটি ম্যাচই সমানে সমান লড়াইয়ের। ভারত যদি বাকি দুই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়েকে হারিয়েও দেয়, তবুও তাদের পয়েন্ট হবে চার। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা একটি ম্যাচ হারলেও এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা জিম্বাবুয়ে নিজেদের ম্যাচ জিতলে, শীর্ষ দুই স্থানের জন্য একাধিক দলের মধ্যে পয়েন্ট সমতা তৈরি হতে পারে।
সেক্ষেত্রে নির্ধারণী ভূমিকা নেবে নেট রান রেট। আর এখানেই বিপাকে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে আক্রমণাত্মক কৌশল নেয় তারা। তবে ব্যবধান কমানোর দিকে নজর না দিয়ে দ্রুত রান তুলতে গিয়ে বড় ব্যবধানে হেরে বসে। বিশ্লেষকদের মতে, শেষ পর্যন্ত লড়ে ব্যবধান কমাতে পারলে ভারতের রান রেট এতটা ক্ষতিগ্রস্ত হতো না।
এখন সেমিফাইনালে উঠতে হলে ভারতের শুধু জিতলেই চলবে না, জিততে হবে বড় ব্যবধানে। পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচগুলোর ফলাফলের দিকেও। দক্ষিণ আফ্রিকা যদি টানা জয় পায়, তারা সহজেই শেষ চার নিশ্চিত করবে। তখন দ্বিতীয় স্থানের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের সঙ্গে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হবে ভারতকে।
গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থাকা একটি দল কীভাবে সুপার এইটের শুরুতেই এমন বিপর্যয়ে পড়ল—তা নিয়ে ক্রিকেট অঙ্গনে চলছে বিস্তর আলোচনা। দলের কৌশল, ব্যাটিং পরিকল্পনা এবং ম্যাচ ব্যবস্থাপনা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।


























