০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিরপুরের উইকেটে স্বস্তি হেসনের, বাংলাদেশকে ধবলধোলাইয়ের হুঙ্কার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর বাংলাদেশ সফরের ওয়ানডে দলে ব্যাপক রদবদল এনেছে পাকিস্তান। বাবর আজম ও শাদাব খানের মতো তারকাদের বাদ দিয়ে একেবারে ছয়জন নতুন মুখ নিয়ে ঢাকায় পা রেখেছে তারা। তবে তারুণ্যনির্ভর এই দল নিয়েও দারুণ আত্মবিশ্বাসী পাকিস্তানের প্রধান কোচ মাইক হেসন। তার বিশ্বাস, স্বাগতিক বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করার সামর্থ্য রয়েছে পাকিস্তানের। যদিও ঘরের মাঠের কন্ডিশনে স্বাগতিকদের প্রতি যথেষ্ট সম্মানও দেখাচ্ছেন তিনি।

আসন্ন এই সিরিজে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন আবদুল সামাদ, মাআজ সাদাকাত, মুহাম্মদ গাজি ঘোরি, সাদ মাসুদ, সাহিবজাদা ফারহান ও শামিল হুসাইন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে আনকোরা হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে তারা বেশ পরিণত। এই তরুণদের নিয়ে আশাবাদী হেসন বলেন, ‘এটি দারুণ রোমাঞ্চকর একটি দল। আমাদের এখানে কিছু নতুন মুখ আছে, যারা ‘শাহিনস’-এর হয়ে ভালো করেছে এবং জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। একটি দল হিসেবে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

শেষবার যখন পাকিস্তান দল বাংলাদেশ সফরে এসেছিল, তখন মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ ছিলেন হেসন। সরাসরি ‘বাজে উইকেট’ আখ্যা দিয়েছিলেন তিনি। তবে এবার মিরপুরের উইকেট নিয়ে বেশ ইতিবাচক এই কিউই কোচ। সদ্য সমাপ্ত বিপিএলের উইকেটগুলোর দিকেও নজর ছিল তার।

উইকেট প্রসঙ্গে হেসন বলেন, ‘অবশ্যই আগের চেয়ে অনেক ভালো পিচ এবং ঘাসও ভালো দেখাচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত এখানকার পিচ বেশ কিছুদিন ধরে খুব একটা ভালো ছিল না। তবে আমরা বিপিএলেও দেখেছি যে এখানকার পিচগুলো অনেক স্পোর্টিং ছিল। মনে হচ্ছে অনেক বেশি ঘাস আছে এবং ব্যাট ও বলের মধ্যে সত্যিকারের লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমার মনে হয়, দুই দলই ভালো ক্রিকেট উইকেটে খেলতে চায় এবং চ্যালেঞ্জ নিতে চায়।’

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজেও আছে টাইগাররা। সেদিক থেকে বাংলাদেশকে কিছুটা এগিয়ে রাখলেও নিজেদের সামর্থ্যের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন হেসন।

তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমরা পারি (বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হারাতে)। কিন্তু আমরা বাংলাদেশের কন্ডিশনে তাদের বিশেষ সম্মান করি। আবারও বলছি, এখানকার কন্ডিশন টি-টোয়েন্টি সিরিজের তুলনায় অনেক ভিন্ন হবে। বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেশি ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলছে, তাই আমাদের এই দীর্ঘ ফরম্যাটের সঙ্গে খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে।’

নিজেদের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে হেসন আরও যোগ করেন, ‘আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো এখানকার পিচের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া। আমাদের সামনে যাই আসুক না কেন, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে বাংলাদেশের নিজেদের কন্ডিশনে তাদের চ্যালেঞ্জ করার মতো একটি দল আমাদের আছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ০১:০৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
১২০ Time View

মিরপুরের উইকেটে স্বস্তি হেসনের, বাংলাদেশকে ধবলধোলাইয়ের হুঙ্কার

Update Time : ০১:০৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর বাংলাদেশ সফরের ওয়ানডে দলে ব্যাপক রদবদল এনেছে পাকিস্তান। বাবর আজম ও শাদাব খানের মতো তারকাদের বাদ দিয়ে একেবারে ছয়জন নতুন মুখ নিয়ে ঢাকায় পা রেখেছে তারা। তবে তারুণ্যনির্ভর এই দল নিয়েও দারুণ আত্মবিশ্বাসী পাকিস্তানের প্রধান কোচ মাইক হেসন। তার বিশ্বাস, স্বাগতিক বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করার সামর্থ্য রয়েছে পাকিস্তানের। যদিও ঘরের মাঠের কন্ডিশনে স্বাগতিকদের প্রতি যথেষ্ট সম্মানও দেখাচ্ছেন তিনি।

আসন্ন এই সিরিজে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন আবদুল সামাদ, মাআজ সাদাকাত, মুহাম্মদ গাজি ঘোরি, সাদ মাসুদ, সাহিবজাদা ফারহান ও শামিল হুসাইন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে আনকোরা হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে তারা বেশ পরিণত। এই তরুণদের নিয়ে আশাবাদী হেসন বলেন, ‘এটি দারুণ রোমাঞ্চকর একটি দল। আমাদের এখানে কিছু নতুন মুখ আছে, যারা ‘শাহিনস’-এর হয়ে ভালো করেছে এবং জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। একটি দল হিসেবে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

শেষবার যখন পাকিস্তান দল বাংলাদেশ সফরে এসেছিল, তখন মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ ছিলেন হেসন। সরাসরি ‘বাজে উইকেট’ আখ্যা দিয়েছিলেন তিনি। তবে এবার মিরপুরের উইকেট নিয়ে বেশ ইতিবাচক এই কিউই কোচ। সদ্য সমাপ্ত বিপিএলের উইকেটগুলোর দিকেও নজর ছিল তার।

উইকেট প্রসঙ্গে হেসন বলেন, ‘অবশ্যই আগের চেয়ে অনেক ভালো পিচ এবং ঘাসও ভালো দেখাচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত এখানকার পিচ বেশ কিছুদিন ধরে খুব একটা ভালো ছিল না। তবে আমরা বিপিএলেও দেখেছি যে এখানকার পিচগুলো অনেক স্পোর্টিং ছিল। মনে হচ্ছে অনেক বেশি ঘাস আছে এবং ব্যাট ও বলের মধ্যে সত্যিকারের লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমার মনে হয়, দুই দলই ভালো ক্রিকেট উইকেটে খেলতে চায় এবং চ্যালেঞ্জ নিতে চায়।’

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজেও আছে টাইগাররা। সেদিক থেকে বাংলাদেশকে কিছুটা এগিয়ে রাখলেও নিজেদের সামর্থ্যের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন হেসন।

তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমরা পারি (বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হারাতে)। কিন্তু আমরা বাংলাদেশের কন্ডিশনে তাদের বিশেষ সম্মান করি। আবারও বলছি, এখানকার কন্ডিশন টি-টোয়েন্টি সিরিজের তুলনায় অনেক ভিন্ন হবে। বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেশি ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলছে, তাই আমাদের এই দীর্ঘ ফরম্যাটের সঙ্গে খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে।’

নিজেদের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে হেসন আরও যোগ করেন, ‘আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো এখানকার পিচের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া। আমাদের সামনে যাই আসুক না কেন, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে বাংলাদেশের নিজেদের কন্ডিশনে তাদের চ্যালেঞ্জ করার মতো একটি দল আমাদের আছে।’