০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৩০ কিমি যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং যমুনা সেতু সংযোগ সড়কে একাধিক গাড়ি বিকল হয়ে পড়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে প্রায় ৩০ কিলোমিটারজুড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে করাতিপাড়া পর্যন্ত এই দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। এতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের কষ্ট বেশি হচ্ছে।

গাজীপুরের টুঙ্গি থেকে আসা সবুজ মিয়া জানান, বাস না পেয়ে ট্রাকে উঠেছেন। দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে তার সময় লেগেছে প্রায় ১২ ঘণ্টা। এখনও মহাসড়কের পৌলি এলাকায় আটকে আছেন এবং গরমে ভোগান্তি বাড়ছে।

রাজশাহীগামী যাত্রী রেহেনা বেগম বলেন, চন্দ্রা পার হওয়ার পর থেকেই যানজট শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে এগিয়ে প্রায় ৮ ঘণ্টায় টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন।

আরেক যাত্রী খোরশেদ মিয়া বলেন, বাসে জায়গা না থাকায় তিনগুণ বেশি ভাড়া দিয়ে ট্রাকে যেতে হচ্ছে, তাতেও রোদের মধ্যে কষ্ট করতে হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরিফ জানান, চালকদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে মহাসড়কে ধীরগতি তৈরি হয়েছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে পুলিশ কাজ করছে এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

Update Time : ১০:৫৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
২২ Time View

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৩০ কিমি যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

Update Time : ১০:৫৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং যমুনা সেতু সংযোগ সড়কে একাধিক গাড়ি বিকল হয়ে পড়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে প্রায় ৩০ কিলোমিটারজুড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে করাতিপাড়া পর্যন্ত এই দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। এতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের কষ্ট বেশি হচ্ছে।

গাজীপুরের টুঙ্গি থেকে আসা সবুজ মিয়া জানান, বাস না পেয়ে ট্রাকে উঠেছেন। দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে তার সময় লেগেছে প্রায় ১২ ঘণ্টা। এখনও মহাসড়কের পৌলি এলাকায় আটকে আছেন এবং গরমে ভোগান্তি বাড়ছে।

রাজশাহীগামী যাত্রী রেহেনা বেগম বলেন, চন্দ্রা পার হওয়ার পর থেকেই যানজট শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে এগিয়ে প্রায় ৮ ঘণ্টায় টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন।

আরেক যাত্রী খোরশেদ মিয়া বলেন, বাসে জায়গা না থাকায় তিনগুণ বেশি ভাড়া দিয়ে ট্রাকে যেতে হচ্ছে, তাতেও রোদের মধ্যে কষ্ট করতে হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরিফ জানান, চালকদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে মহাসড়কে ধীরগতি তৈরি হয়েছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে পুলিশ কাজ করছে এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।