০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় খালের বাঁধ কেটে ২৫০ বিঘা জমি অবমুক্ত

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় অবৈধভাবে নির্মিত খালের বাঁধ অপসারণ করেছেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম। এতে প্রায় ২৫০ বিঘা কৃষিজমি পুনরায় চাষাবাদের জন্য উন্মুক্ত হয়।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের নাড়িদিয়া এলাকার আঙ্গারিয়া-নাড়িয়া খাল থেকে বাঁধ অপসারণ করা হয়।

এদিকে একই দিনে বিকেলে মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানিকমূড়া এলাকা থেকে ভোগই, কাচি ও নদনা খাল পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন তিনি। একসময় প্রবাহমান এ খাল শুকনো মৌসুমে সেচ এবং বর্ষায় পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন পুনঃখনন না হওয়ায় দখল ও দূষণে খালটি প্রায় ভরাট হয়ে যায়।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, বিগত সরকারের সময় আওয়ামী লীগের এমপির প্রভাব খাটিয়ে একটি পক্ষ প্রায় আড়াইশো বিঘা জমির তিন পাশে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ শুরু করে। এতে সহস্রাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন। তিন ফসলি জমি এক ফসলিতে নেমে আসে, কমে যায় ধান উৎপাদন। ফলে অনেক কৃষক ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

সংসদ সদস্য আবুল কালাম বলেন, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এক ফসলি জমি দুই ফসলি এবং দুই ফসলি জমি তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। এতে এলাকার কৃষকরা চাষাবাদে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ হবেন।

তিনি আরও বলেন, খাল-নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ১০:৪১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
৮১ Time View

কুমিল্লায় খালের বাঁধ কেটে ২৫০ বিঘা জমি অবমুক্ত

Update Time : ১০:৪১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় অবৈধভাবে নির্মিত খালের বাঁধ অপসারণ করেছেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম। এতে প্রায় ২৫০ বিঘা কৃষিজমি পুনরায় চাষাবাদের জন্য উন্মুক্ত হয়।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের নাড়িদিয়া এলাকার আঙ্গারিয়া-নাড়িয়া খাল থেকে বাঁধ অপসারণ করা হয়।

এদিকে একই দিনে বিকেলে মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানিকমূড়া এলাকা থেকে ভোগই, কাচি ও নদনা খাল পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন তিনি। একসময় প্রবাহমান এ খাল শুকনো মৌসুমে সেচ এবং বর্ষায় পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন পুনঃখনন না হওয়ায় দখল ও দূষণে খালটি প্রায় ভরাট হয়ে যায়।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, বিগত সরকারের সময় আওয়ামী লীগের এমপির প্রভাব খাটিয়ে একটি পক্ষ প্রায় আড়াইশো বিঘা জমির তিন পাশে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ শুরু করে। এতে সহস্রাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন। তিন ফসলি জমি এক ফসলিতে নেমে আসে, কমে যায় ধান উৎপাদন। ফলে অনেক কৃষক ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

সংসদ সদস্য আবুল কালাম বলেন, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এক ফসলি জমি দুই ফসলি এবং দুই ফসলি জমি তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। এতে এলাকার কৃষকরা চাষাবাদে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ হবেন।

তিনি আরও বলেন, খাল-নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।