০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বার্ধক্য ঠেকাতে কাঁচা আম, ত্বকের যত্নে দারুণ উপকারী

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও বার্ধক্যের ছাপ কমাতে এখন এনজাইম এক্সফোলিয়েটরের জনপ্রিয়তা বাড়ছে বিশ্বজুড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উপকারী এনজাইমের প্রাকৃতিক উৎস হতে পারে গ্রীষ্মের পরিচিত ফল কাঁচা আম।

কাঁচা আমে থাকা ‘ম্যাঙ্গিফেরিন’ নামের বিশেষ উপাদান ত্বকের মৃত কোষ ও ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এটি রোমকূপের ভেতরের ময়লাও দূর করতে পারে, তাও ত্বকে অতিরিক্ত ঘর্ষণ ছাড়াই। ফলে সংবেদনশীল ত্বকের জন্যও এটি তুলনামূলক নিরাপদ বলে মনে করা হয়।

গবেষকদের মতে, কাঁচা আমে থাকা ভিটামিন-সি কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। এতে ত্বকের টানটান ভাব বজায় থাকে এবং বলিরেখা কম দেখা যায়। পাশাপাশি এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ও দূষণের ক্ষতি থেকে ত্বককে সুরক্ষা দিতে পারে।

এছাড়া কাঁচা আম ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর। এটি প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিনজেন্ট হিসেবে কাজ করে, ফলে রোমকূপ ছোট দেখায় এবং ত্বক মসৃণ থাকে। ব্রণ ও রোদে পোড়া দাগ কমাতেও উপকার পেতে পারেন অনেকে।

ব্যবহারের জন্য কাঁচা আমের পাল্প মুখে ৫ থেকে ১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন। চাইলে দই ও মধুর সঙ্গে মিশিয়েও ফেসপ্যাক তৈরি করা যায়।

এছাড়া কাঁচা আম সিদ্ধ করে তৈরি টোনারও ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ত্বকের সেবাম নিয়ন্ত্রণ, রোমকূপ সংকুচিত করা এবং ত্বককে সতেজ রাখতে সাহায্য করতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

Update Time : ১০:৩৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
৪৩ Time View

বার্ধক্য ঠেকাতে কাঁচা আম, ত্বকের যত্নে দারুণ উপকারী

Update Time : ১০:৩৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও বার্ধক্যের ছাপ কমাতে এখন এনজাইম এক্সফোলিয়েটরের জনপ্রিয়তা বাড়ছে বিশ্বজুড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উপকারী এনজাইমের প্রাকৃতিক উৎস হতে পারে গ্রীষ্মের পরিচিত ফল কাঁচা আম।

কাঁচা আমে থাকা ‘ম্যাঙ্গিফেরিন’ নামের বিশেষ উপাদান ত্বকের মৃত কোষ ও ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এটি রোমকূপের ভেতরের ময়লাও দূর করতে পারে, তাও ত্বকে অতিরিক্ত ঘর্ষণ ছাড়াই। ফলে সংবেদনশীল ত্বকের জন্যও এটি তুলনামূলক নিরাপদ বলে মনে করা হয়।

গবেষকদের মতে, কাঁচা আমে থাকা ভিটামিন-সি কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। এতে ত্বকের টানটান ভাব বজায় থাকে এবং বলিরেখা কম দেখা যায়। পাশাপাশি এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ও দূষণের ক্ষতি থেকে ত্বককে সুরক্ষা দিতে পারে।

এছাড়া কাঁচা আম ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর। এটি প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিনজেন্ট হিসেবে কাজ করে, ফলে রোমকূপ ছোট দেখায় এবং ত্বক মসৃণ থাকে। ব্রণ ও রোদে পোড়া দাগ কমাতেও উপকার পেতে পারেন অনেকে।

ব্যবহারের জন্য কাঁচা আমের পাল্প মুখে ৫ থেকে ১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন। চাইলে দই ও মধুর সঙ্গে মিশিয়েও ফেসপ্যাক তৈরি করা যায়।

এছাড়া কাঁচা আম সিদ্ধ করে তৈরি টোনারও ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ত্বকের সেবাম নিয়ন্ত্রণ, রোমকূপ সংকুচিত করা এবং ত্বককে সতেজ রাখতে সাহায্য করতে পারে।