০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের আমদানিকৃত তেলের ৪০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিং সফরের আগে চীনকে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চীনের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের বড় একটি অংশ এই পথ দিয়ে আসে, তাই জলপথটি সচল রাখা বেইজিংয়ের নিজের স্বার্থের সঙ্গেও জড়িত।

মার্চের শেষ দিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এই সফরের সময়সূচি কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি। ওই বৈঠকের আগেই হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা দূর করতে চীনের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, চীনের প্রয়োজনীয় তেলের ৯০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। তবে বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলছে, প্রকৃত চিত্র কিছুটা ভিন্ন। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’-এর তথ্য অনুযায়ী, চীনের মোট আমদানিকৃত তেলের প্রায় ৪০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে আসে।

এছাড়া অন্যান্য বাণিজ্যিক তথ্য অনুযায়ী, চীন ইরান থেকে তাদের মোট তেলের প্রায় ৯০ শতাংশ কিনলেও তা চীনের সামগ্রিক তেল আমদানির মাত্র ১২ শতাংশের সমান।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে যখন বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা এবং চীন-যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মোড়ে দাঁড়িয়েছে। হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে চীনের ভূমিকা শেষ পর্যন্ত কী হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সূত্র: বিবিসি।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

Update Time : ০৪:২৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
৪২ Time View

চীনের আমদানিকৃত তেলের ৪০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসে

Update Time : ০৪:২৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিং সফরের আগে চীনকে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চীনের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের বড় একটি অংশ এই পথ দিয়ে আসে, তাই জলপথটি সচল রাখা বেইজিংয়ের নিজের স্বার্থের সঙ্গেও জড়িত।

মার্চের শেষ দিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এই সফরের সময়সূচি কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি। ওই বৈঠকের আগেই হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা দূর করতে চীনের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, চীনের প্রয়োজনীয় তেলের ৯০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। তবে বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলছে, প্রকৃত চিত্র কিছুটা ভিন্ন। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’-এর তথ্য অনুযায়ী, চীনের মোট আমদানিকৃত তেলের প্রায় ৪০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে আসে।

এছাড়া অন্যান্য বাণিজ্যিক তথ্য অনুযায়ী, চীন ইরান থেকে তাদের মোট তেলের প্রায় ৯০ শতাংশ কিনলেও তা চীনের সামগ্রিক তেল আমদানির মাত্র ১২ শতাংশের সমান।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে যখন বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা এবং চীন-যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মোড়ে দাঁড়িয়েছে। হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে চীনের ভূমিকা শেষ পর্যন্ত কী হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সূত্র: বিবিসি।