০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণভোট প্রচারণার অর্থ নিয়ে যা বললেন রিফাত রশিদ

গণভোটের প্রচারণার অর্থায়ন নিয়ে চলমান বিতর্কের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সদ্য জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সাবেক সভাপতি রিফাত রশিদ।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, গণভোটের ক্যাম্পেইনের জন্য ১৫ দিনের একটি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ৫ কোটি টাকার একটি চুক্তি হয়েছিল। তবে সময়স্বল্পতার কারণে শেষ পর্যন্ত রেজিস্টার্ড সেড ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ৭ দিনের প্রচারণার জন্য ১ কোটি টাকা প্রদান করা হয়।

রিফাত রশিদ দাবি করেন, গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণার জন্য অর্থ সংগ্রহে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক ফান্ড দিতে সম্মত হয়। তবে নন-রেজিস্টার্ড সংগঠনকে সরাসরি অর্থ দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় একটি ফাউন্ডেশন গঠন করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, ফাউন্ডেশন গঠনের সময় সিনথিয়া জাহীন আয়েশাও যুক্ত ছিলেন এবং স্বাক্ষর করেছিলেন। তবে পরে তিনি প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ান এবং কোনো দায় নিতে অস্বীকৃতি জানান।

রিফাত রশিদের দাবি অনুযায়ী, পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত একটি অডিট ফার্ম দিয়ে পুরো অর্থব্যবস্থা নিরীক্ষা করা হয় এবং সেই রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক কয়েকজন নেতা তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন এবং বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় করার চেষ্টা। তিনি বলেন, প্রয়োজনে দুদকসহ যে কোনো তদন্ত সংস্থাকে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত এবং সব নথি সংরক্ষিত আছে।

এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে গণভোটের অর্থ তছরুপের অভিযোগ তোলা হয়েছিল, যা রিফাত রশিদ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

Update Time : ০১:৪৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
৫৪ Time View

গণভোট প্রচারণার অর্থ নিয়ে যা বললেন রিফাত রশিদ

Update Time : ০১:৪৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

গণভোটের প্রচারণার অর্থায়ন নিয়ে চলমান বিতর্কের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সদ্য জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সাবেক সভাপতি রিফাত রশিদ।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, গণভোটের ক্যাম্পেইনের জন্য ১৫ দিনের একটি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ৫ কোটি টাকার একটি চুক্তি হয়েছিল। তবে সময়স্বল্পতার কারণে শেষ পর্যন্ত রেজিস্টার্ড সেড ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ৭ দিনের প্রচারণার জন্য ১ কোটি টাকা প্রদান করা হয়।

রিফাত রশিদ দাবি করেন, গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণার জন্য অর্থ সংগ্রহে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক ফান্ড দিতে সম্মত হয়। তবে নন-রেজিস্টার্ড সংগঠনকে সরাসরি অর্থ দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় একটি ফাউন্ডেশন গঠন করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, ফাউন্ডেশন গঠনের সময় সিনথিয়া জাহীন আয়েশাও যুক্ত ছিলেন এবং স্বাক্ষর করেছিলেন। তবে পরে তিনি প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ান এবং কোনো দায় নিতে অস্বীকৃতি জানান।

রিফাত রশিদের দাবি অনুযায়ী, পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত একটি অডিট ফার্ম দিয়ে পুরো অর্থব্যবস্থা নিরীক্ষা করা হয় এবং সেই রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক কয়েকজন নেতা তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন এবং বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় করার চেষ্টা। তিনি বলেন, প্রয়োজনে দুদকসহ যে কোনো তদন্ত সংস্থাকে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত এবং সব নথি সংরক্ষিত আছে।

এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে গণভোটের অর্থ তছরুপের অভিযোগ তোলা হয়েছিল, যা রিফাত রশিদ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন।