০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০০ বিমান কিনবে চীন

মার্কিন কোম্পানি বোয়িংয়ের ২০০টি বিমান কিনতে সম্মত হয়েছে চীন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই অর্ডার বেড়ে ৭৫০টি পর্যন্ত হতে পারে।

শুক্রবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, চুক্তির আওতায় থাকা বিমানে জিই অ্যারোস্পেসের ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে। তবে কোন মডেলের বিমান কেনা হবে বা কবে সরবরাহ দেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

এখন পর্যন্ত চীনা সরকার বা বোয়িং আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। তবে চুক্তি বাস্তবায়িত হলে তা বোয়িংয়ের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হবে। কারণ, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাণিজ্য উত্তেজনার কারণে চীনের বাজারে পিছিয়ে পড়েছিল মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি।

ট্রাম্পের বেইজিং সফরে বোয়িংয়ের প্রধান নির্বাহী কেলি অর্টবার্গও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন। সফরে চীনের কাছে বিভিন্ন মার্কিন পণ্য ও সেবা বিক্রির চেষ্টা চালানো হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০০ বিমানের সম্ভাব্য এ অর্ডারের মূল্য ১৭ থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। এতে চীনের দ্রুত সম্প্রসারিত বিমান পরিবহন খাত যেমন লাভবান হবে, তেমনি ইউরোপীয় প্রতিদ্বন্দ্বী এয়ারবাসের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বোয়িংও বাড়তি সুবিধা পাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

Update Time : ১২:২৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
৩৩ Time View

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০০ বিমান কিনবে চীন

Update Time : ১২:২৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

মার্কিন কোম্পানি বোয়িংয়ের ২০০টি বিমান কিনতে সম্মত হয়েছে চীন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই অর্ডার বেড়ে ৭৫০টি পর্যন্ত হতে পারে।

শুক্রবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, চুক্তির আওতায় থাকা বিমানে জিই অ্যারোস্পেসের ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে। তবে কোন মডেলের বিমান কেনা হবে বা কবে সরবরাহ দেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

এখন পর্যন্ত চীনা সরকার বা বোয়িং আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। তবে চুক্তি বাস্তবায়িত হলে তা বোয়িংয়ের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হবে। কারণ, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাণিজ্য উত্তেজনার কারণে চীনের বাজারে পিছিয়ে পড়েছিল মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি।

ট্রাম্পের বেইজিং সফরে বোয়িংয়ের প্রধান নির্বাহী কেলি অর্টবার্গও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন। সফরে চীনের কাছে বিভিন্ন মার্কিন পণ্য ও সেবা বিক্রির চেষ্টা চালানো হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০০ বিমানের সম্ভাব্য এ অর্ডারের মূল্য ১৭ থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। এতে চীনের দ্রুত সম্প্রসারিত বিমান পরিবহন খাত যেমন লাভবান হবে, তেমনি ইউরোপীয় প্রতিদ্বন্দ্বী এয়ারবাসের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বোয়িংও বাড়তি সুবিধা পাবে।