০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নবম-দশমে তিন ভাষা বাধ্যতামূলক করল ভারত

ভারতের কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (সিবিএসই) আগামী ১ জুলাই থেকে নবম ও দশম শ্রেণিতে তিন-ভাষা নীতি চালু করতে যাচ্ছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাষা পড়া বাধ্যতামূলক হবে। তবে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় তৃতীয় ভাষার জন্য কোনো লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এর মূল্যায়ন হবে স্কুলভিত্তিক অভ্যন্তরীণ পদ্ধতিতে।

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ ও জাতীয় পাঠ্যক্রম কাঠামো ২০২৩ অনুসারে সিবিএসই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নীতিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের বেছে নেওয়া তিনটি ভাষার মধ্যে অন্তত দুটি অবশ্যই ভারতীয় বা আদিবাসী ভাষা হতে হবে।

সিবিএসইর তালিকায় হিন্দি ও ইংরেজিসহ মোট ৪৪টি ভাষা রয়েছে। কোনো স্কুল যদি প্রথম ও দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে দুটি ভারতীয় ভাষা বেছে নেয়, তাহলে তৃতীয় ভাষা হিসেবে ফ্রেঞ্চ বা জার্মানের মতো বিদেশি ভাষা রাখা যাবে। তবে ইংরেজিকে প্রথম বা দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে নিলে তৃতীয় ভাষা হিসেবে বিদেশি ভাষা নেওয়া যাবে না।

শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ কমাতে তৃতীয় ভাষার নম্বর শুধুমাত্র স্কুলের মূল্যায়নে যুক্ত থাকবে এবং তা চূড়ান্ত সার্টিফিকেটে উল্লেখ করা হবে। এই বিষয়ের কারণে কোনো শিক্ষার্থী বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নেওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না।

সিবিএসই জানিয়েছে, নতুন পাঠ্যবই প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আপাতত ষষ্ঠ শ্রেণির তৃতীয় ভাষার বই ব্যবহার করবে। এছাড়া সব স্কুলকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ওএসআইএস পোর্টালে তাদের তৃতীয় ভাষার তালিকা আপডেট করতে বলা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

Update Time : ১০:৫২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
৭১ Time View

নবম-দশমে তিন ভাষা বাধ্যতামূলক করল ভারত

Update Time : ১০:৫২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ভারতের কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (সিবিএসই) আগামী ১ জুলাই থেকে নবম ও দশম শ্রেণিতে তিন-ভাষা নীতি চালু করতে যাচ্ছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাষা পড়া বাধ্যতামূলক হবে। তবে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় তৃতীয় ভাষার জন্য কোনো লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এর মূল্যায়ন হবে স্কুলভিত্তিক অভ্যন্তরীণ পদ্ধতিতে।

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ ও জাতীয় পাঠ্যক্রম কাঠামো ২০২৩ অনুসারে সিবিএসই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নীতিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের বেছে নেওয়া তিনটি ভাষার মধ্যে অন্তত দুটি অবশ্যই ভারতীয় বা আদিবাসী ভাষা হতে হবে।

সিবিএসইর তালিকায় হিন্দি ও ইংরেজিসহ মোট ৪৪টি ভাষা রয়েছে। কোনো স্কুল যদি প্রথম ও দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে দুটি ভারতীয় ভাষা বেছে নেয়, তাহলে তৃতীয় ভাষা হিসেবে ফ্রেঞ্চ বা জার্মানের মতো বিদেশি ভাষা রাখা যাবে। তবে ইংরেজিকে প্রথম বা দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে নিলে তৃতীয় ভাষা হিসেবে বিদেশি ভাষা নেওয়া যাবে না।

শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ কমাতে তৃতীয় ভাষার নম্বর শুধুমাত্র স্কুলের মূল্যায়নে যুক্ত থাকবে এবং তা চূড়ান্ত সার্টিফিকেটে উল্লেখ করা হবে। এই বিষয়ের কারণে কোনো শিক্ষার্থী বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নেওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না।

সিবিএসই জানিয়েছে, নতুন পাঠ্যবই প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আপাতত ষষ্ঠ শ্রেণির তৃতীয় ভাষার বই ব্যবহার করবে। এছাড়া সব স্কুলকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ওএসআইএস পোর্টালে তাদের তৃতীয় ভাষার তালিকা আপডেট করতে বলা হয়েছে।