ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি: সময়কে নিজেদের হাতিয়ার ভাবছে দুই পক্ষই
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার তিন মাস পার হলেও সংকট নিরসনের কোনো লক্ষণ নেই। বরং মার্কিন অবরোধ ও হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের কঠোর অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
কোনো পক্ষই নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসতে রাজি নয়। ফলে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ার পাশাপাশি নতুন করে বড় যুদ্ধের আশঙ্কাও তীব্র হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো—যেকোনো ভুল সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে রূপ দিতে পারে।
ইসরাইলের নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড্যানি সিট্রিনোভিচ বলেন, “চাপ প্রয়োগ করে ইরানকে নত করা যাবে—এই ধারণা অতীতেও ব্যর্থ হয়েছে।”
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, পারমাণবিক সক্ষমতা ও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে রাষ্ট্রের টিকে থাকার অংশ হিসেবে দেখে। তাই এসব থেকে সরে আসাকে তারা আত্মসমর্পণ হিসেবে বিবেচনা করে।
এদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কয়েক দফা আলোচনা হলেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান দীর্ঘমেয়াদে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করুক, আর ইরান চায় হামলার স্থায়ী অবসান ও নিরাপত্তার গ্যারান্টি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দ্রুত চুক্তি না হলে ইরানকে “খুব খারাপ সময়” পার করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উভয় পক্ষই মনে করছে সময় তাদের পক্ষেই কাজ করছে। আর এই মানসিকতাই শান্তিচুক্তিকে আরও কঠিন করে তুলছে।





















