০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রতি বছর নোবেল পাওয়া উচিত: হেগসেথ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর “প্রতি বছর” নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত, কারণ তারা “সঠিকভাবে” যুদ্ধ করে। তবে একই সময়ে তিনি দাবি করেন, তার নেতৃত্বে সেনারা এখন “সর্বোচ্চ সহিংসতা” ঘটাতে সক্ষম।

শুক্রবার ইরান যুদ্ধ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেন, ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়’কে ‘শান্তি মন্ত্রণালয়’ নাম দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে কি না। জবাবে হেগসেথ বলেন, “শক্তির মাধ্যমে শান্তি” প্রতিষ্ঠার কারণেই এটিকে যুদ্ধ মন্ত্রণালয় বলা হয়।

তিনি আরও বলেন, “যখন সঠিকভাবে যুদ্ধ করা হয়, তখন লক্ষ্য থাকে শান্তি আনা। যে প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত, সেটি হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী। কারণ আমরা শুধু আমাদের দেশের নয়, বিশ্বের অনেক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি।”

তবে এর মাত্র এক মিনিট আগেই তিনি বলেন, তার নেতৃত্বে সেনারা “সর্বোচ্চ সহিংসতা” প্রয়োগে সক্ষম এবং তিনি চান তারা শত্রুর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা পাক।

এই বক্তব্য এমন এক সময় এসেছে যখন আন্তর্জাতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানির অভিযোগ উঠছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা বলছে, এসব সংঘাতে বহু বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে এবং যুদ্ধাপরাধের অভিযোগও উঠেছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও উল্লেখ করেন, বেসামরিক ক্ষতি এড়ানোর নিয়ম নিয়ে হেগসেথ পূর্বেও সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছিলেন, যেগুলোকে তিনি “অতিরিক্ত নিয়ম” হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

Update Time : ১২:৪৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
২৭ Time View

মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রতি বছর নোবেল পাওয়া উচিত: হেগসেথ

Update Time : ১২:৪৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর “প্রতি বছর” নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত, কারণ তারা “সঠিকভাবে” যুদ্ধ করে। তবে একই সময়ে তিনি দাবি করেন, তার নেতৃত্বে সেনারা এখন “সর্বোচ্চ সহিংসতা” ঘটাতে সক্ষম।

শুক্রবার ইরান যুদ্ধ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেন, ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়’কে ‘শান্তি মন্ত্রণালয়’ নাম দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে কি না। জবাবে হেগসেথ বলেন, “শক্তির মাধ্যমে শান্তি” প্রতিষ্ঠার কারণেই এটিকে যুদ্ধ মন্ত্রণালয় বলা হয়।

তিনি আরও বলেন, “যখন সঠিকভাবে যুদ্ধ করা হয়, তখন লক্ষ্য থাকে শান্তি আনা। যে প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত, সেটি হলো মার্কিন সামরিক বাহিনী। কারণ আমরা শুধু আমাদের দেশের নয়, বিশ্বের অনেক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি।”

তবে এর মাত্র এক মিনিট আগেই তিনি বলেন, তার নেতৃত্বে সেনারা “সর্বোচ্চ সহিংসতা” প্রয়োগে সক্ষম এবং তিনি চান তারা শত্রুর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা পাক।

এই বক্তব্য এমন এক সময় এসেছে যখন আন্তর্জাতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানির অভিযোগ উঠছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা বলছে, এসব সংঘাতে বহু বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে এবং যুদ্ধাপরাধের অভিযোগও উঠেছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও উল্লেখ করেন, বেসামরিক ক্ষতি এড়ানোর নিয়ম নিয়ে হেগসেথ পূর্বেও সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছিলেন, যেগুলোকে তিনি “অতিরিক্ত নিয়ম” হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন।