০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

ঢাকা মহানগরীতে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে স্থাপিত সিসি ক্যামেরায় আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। নোটিশ পাওয়ার পরও হাজিরা না দিলে পরবর্তী ধাপে সমন কিংবা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হবে।

আজ রোববার ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং নাগরিক সেবা সহজ করতে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং ট্রাফিক আইন অমান্যকারী মালিক ও চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে যানবাহনের মালিক ও চালকদের ঠিকানায় অটো জেনারেটেড নোটিশ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো হচ্ছে। নোটিশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টরা ডিএমপি সদর দপ্তর বা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারবেন।

এতে আরও বলা হয়, নোটিশ পাওয়ার পরও কেউ হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া হিসেবে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির কার্যক্রম স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

ডিএমপি জানিয়েছে, এ প্রক্রিয়ার বাইরে সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মামলার নামে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান থেকে বিরত থাকতে হবে। কেউ প্রতারণার চেষ্টা করলে দ্রুত নিকটস্থ থানা বা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাজধানীর বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যাল ক্রসিং ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এআই প্রযুক্তিসম্পন্ন উন্নত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে লাল বাতি অমান্য, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী ওঠা-নামা, অবৈধ পার্কিং এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধে ডিজিটাল মামলা দেওয়া শুরু হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Update Time : ১০:২৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
৭০ Time View

ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা

Update Time : ১০:২৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

ঢাকা মহানগরীতে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে স্থাপিত সিসি ক্যামেরায় আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। নোটিশ পাওয়ার পরও হাজিরা না দিলে পরবর্তী ধাপে সমন কিংবা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হবে।

আজ রোববার ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং নাগরিক সেবা সহজ করতে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং ট্রাফিক আইন অমান্যকারী মালিক ও চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে যানবাহনের মালিক ও চালকদের ঠিকানায় অটো জেনারেটেড নোটিশ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো হচ্ছে। নোটিশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টরা ডিএমপি সদর দপ্তর বা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারবেন।

এতে আরও বলা হয়, নোটিশ পাওয়ার পরও কেউ হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া হিসেবে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির কার্যক্রম স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

ডিএমপি জানিয়েছে, এ প্রক্রিয়ার বাইরে সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মামলার নামে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান থেকে বিরত থাকতে হবে। কেউ প্রতারণার চেষ্টা করলে দ্রুত নিকটস্থ থানা বা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাজধানীর বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যাল ক্রসিং ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এআই প্রযুক্তিসম্পন্ন উন্নত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে লাল বাতি অমান্য, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী ওঠা-নামা, অবৈধ পার্কিং এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধে ডিজিটাল মামলা দেওয়া শুরু হয়েছে।