ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার একটি বাড়ি থেকে মরিয়ম বেগম নামে এক গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ছাত্রীর বাসায় প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর মঙ্গলবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক দম্পতি ও এক স্বর্ণকারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নিহত মরিয়ম বেগম নামোশংকরবাটি উজ্জ্বলপাড়ার আবুল কালামের স্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাসায় বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়িয়ে সংসার চালাতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকালে মরিয়ম বেগম রুবেল নামে এক ব্যক্তির মেয়েকে পড়াতে তাদের বাসায় যান। কিন্তু সারাদিন পার হলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান না পেয়ে সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
মঙ্গলবার সকালে জরুরি সেবা নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ রুবেলের বাড়ি থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় মরিয়ম বেগমের লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, শরীরে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করতেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও অভিযুক্ত সুমি ওরফে ফমির বিরুদ্ধে জুসের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে মানুষকে অজ্ঞান করে স্বর্ণালংকার ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ছিল। পূর্বের একটি ঘটনা স্থানীয়ভাবে টাকার বিনিময়ে মীমাংসাও করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এক স্বর্ণকারের কাছ থেকে মরিয়ম বেগমের দুল উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বাড়ির মালিক রুবেল, তার স্ত্রী সুমি ওরফে ফমি এবং স্বর্ণকার দীপককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।





















