সিজেপির আন্দোলনের ঢেউ এবার কলকাতায়: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বামপন্থীদের ‘মহামিছিল’
বেঙ্গল আই ডেস্ক | আন্তর্জাতিক
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া আন্দোলন এবার আছড়ে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। দিল্লিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলা ও ‘দমন-পীড়নে’র অভিযোগের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে কলকাতায় এক বিশাল ‘মহামিছিল’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বামপন্থী আটটি ছাত্র ও যুব সংগঠনের ডাকে এই প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি শিয়ালদহ স্টেশন থেকে শুরু হয়ে ধর্মতলায় গিয়ে শেষ হয়।
একনজরে কলকাতায় প্রতিবাদ মিছিলের চিত্র:
| বিবরণ | তথ্য |
| মূল ইস্যু | মেডিকেল প্রশ্নফাঁস ও দিল্লিতে পুলিশি দমন-পীড়নের প্রতিবাদ |
| প্রধান দাবি | কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ |
| মিছিলের রুট | শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত |
| অংশগ্রহণকারী সংগঠন | এসএফআই, এআইডিএসও, ডিওয়াইএফআই, পিডিএসএফ, এআইএসএ এবং সিজেপি |
| নিরাপত্তা ব্যবস্থা | কলকাতা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা |
বামপন্থীদের সঙ্গে রাজপথে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ ও অভিভাবকরা
কলকাতার রাজপথে আয়োজিত এই প্রতিবাদে বামপন্থী সংগঠনগুলোর (এসএফআই, এআইডিএসও, ডিওয়াইএফআই, পিডিএসএফ ও এআইএসএ) পাশাপাশি যোগ দেন দিল্লির আন্দোলনকারী তরুণদের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) সদস্যরাও। শুধু রাজনৈতিক বা ছাত্র সংগঠনের নেতারাই নন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বহু অভিভাবককেও এই মিছিলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পা মেলাতে দেখা যায়।
শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা: হাজারো মানুষের ঢল
শুক্রবার সকাল থেকেই শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে একটু একটু করে জমায়েত হতে থাকেন বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা। পরে সেখান থেকে বিকেলে হাজারো মানুষের একটি বিশাল মিছিল ধর্মতলার দিকে রওনা দেয়।
মিছিল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিতর্কিত শিক্ষানীতি এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের তীব্র সমালোচনা করা হয় এবং অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেন আন্দোলনকারীরা। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে কলকাতার রাজপথ।
অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কড়া নিরাপত্তা
এই বিশাল প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শিয়ালদহ ও ধর্মতলাসহ আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলে প্রশাসন। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়। পুরো এলাকাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান ছিল চোখে পড়ার মতো।





















