‘মোদির প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ইনফ্লুয়েন্সার হওয়া উচিত’: অভিজিৎ দীপকের কটাক্ষ
বেঙ্গল আই ডেস্ক | আন্তর্জাতিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অভিজিৎ দীপকে। তিনি মন্তব্য করেছেন, মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং একজন ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ হিসেবেই বেশি সফল, তাই তার উচিত প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেওয়া।
বুধবার (২৯ জুলাই) মহারাষ্ট্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।
একনজরে মোদির সমালোচনা ও প্রাসঙ্গিক তথ্য:
| বিবরণ | তথ্য |
| মূল সমালোচক | অভিজিৎ দীপকে (প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সিজেপি) |
| সমালোচনার লক্ষ্য | নরেন্দ্র মোদি (ভারতের প্রধানমন্ত্রী) |
| মন্তব্যের স্থান ও সময় | মহারাষ্ট্র, বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) |
| মোদির প্রতি পরামর্শ | প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ হওয়া |
| অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বক্তা | প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (কংগ্রেস সংসদ সদস্য) |
| আলোচিত অন্য ইস্যু | প্রশ্নফাঁস নিরোধী আইন |
ইনফ্লুয়েন্সার মোদি ও চেয়ার ছাড়ার পরামর্শ
মহারাষ্ট্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সিজেপি সভাপতি অভিজিৎ দীপকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কার্যক্রমের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “তিনি (মোদি) যদি এত ভালো ইনফ্লুয়েন্সারই হন, তাহলে তার প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে দেওয়া উচিত এবং অন্য কাউকে এই কাজ করতে দেওয়া উচিত।”
প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর তোপ: ‘হৃদয়ের অ্যাঙ্গেল বদলাতে হবে’
এর আগে গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) কংগ্রেসের সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও নরেন্দ্র মোদির ইনস্টাগ্রাম ভিডিও নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন। তরুণ প্রজন্মের ভোটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “নতুন নতুন অ্যাঙ্গেল থেকে ভিডিও করলেই জেন-জি (Gen-Z) প্রজন্মের ভোট পাওয়া যাবে না।”
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল নয়, প্রধানমন্ত্রীকে তার নিজের ‘হৃদয়ের অ্যাঙ্গেল’ বদলাতে হবে।
প্রশ্নফাঁস নিরোধী আইন নিয়ে মন্তব্য
এদিকে বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভারতে প্রশ্নফাঁস নিরোধী আইন নিয়েও নিজের মতামত তুলে ধরেন অভিজিৎ দীপকে। তিনি মনে করেন, দেশে শুধু আইন তৈরি করলেই সমাধান আসবে না।
তিনি বলেন, “আমি মনে করি এ ধরনের আইন হতেই থাকবে। কিন্তু লক্ষ্য যদি সঠিক না হয়, তাহলে কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। এই দেশে অনেক ভালো আইন তৈরি হয়েছে। একের পর এক শুধু আইনই তৈরি হচ্ছে, কিন্তু প্রয়োগের অভাবে লক্ষ্য অর্জিত হচ্ছে না।”
(তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস)





















