দুবাইয়ের শাসকের ভাইয়ের ইন্তেকাল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গভীর শোক
ছবি: সংগৃহীত
বেঙ্গল আই ডেস্ক | প্রবাস ও আন্তর্জাতিক
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের ছোট ভাই শেখ আহমদ বিন রশিদ আল মাকতুম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে ৭৬ বছর বয়সে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। রাজপরিবারের এই প্রবীণ সদস্যের মৃত্যুতে সংযুক্ত আরব আমিরাতজুড়ে ১০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে এবং জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একনজরে শেখ আহমদের প্রয়াণ ও শোকের তথ্য:
| বিবরণ | তথ্য |
| মরহুমের নাম | শেখ আহমদ বিন রশিদ আল মাকতুম |
| পরিচয় | দুবাইয়ের শাসকের ছোট ভাই |
| মৃত্যুকালে বয়স | ৭৬ বছর |
| রাষ্ট্রীয় শোক | সংযুক্ত আরব আমিরাতজুড়ে ১০ দিন |
| জানাজার স্থান | দুবাইয়ের ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড জাবিল মসজিদ |
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোকবার্তা
দুবাইয়ের রাজপরিবারের এই বরেণ্য সদস্যের ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক শোকবার্তায় তিনি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আমিরাতের রাজপরিবার এবং সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, মহান আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণ করার শক্তি দান করেন।
জানাজা ও দুবাই শাসকের আবেগঘন বার্তা
মঙ্গলবার দুপুর ১টায় গ্র্যান্ড জাবিল মসজিদে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমসহ রাজপরিবারের শীর্ষ সদস্য ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন। পরে উম্মে হুরাইর কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে দাফন করা হয়। প্রিয় ছোট ভাইয়ের বিদায়ে দুবাইয়ের শাসক এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি আবেগঘন পোস্টে লেখেন, “আহমদ, তুমি আমাদের চোখের আড়াল হয়েছ, কিন্তু আমাদের হৃদয় ও দোয়া থেকে কখনো হারাবে না।”
আধুনিক দুবাই গঠনে শেখ আহমদের অবদান
মরহুম শেখ আহমদ ছিলেন দুবাইয়ের প্রাক্তন শাসক শেখ রশিদ বিন সাঈদ আল মাকতুমের কনিষ্ঠ পুত্র। যুক্তরাজ্যের বিশ্বখ্যাত রয়্যাল একাডেমি স্যান্ডহার্স্ট থেকে সামরিক শিক্ষা গ্রহণ করে তিনি দুবাই পুলিশ ও জননিরাপত্তা বিভাগের ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি ‘এআরএম হোল্ডিং’ এবং দুবাই রিয়েল এস্টেট সেন্টারের গ্রুপ চেয়ারম্যান হিসেবে আবাসন, টেলিকম ও ব্যাংকিং খাতে দুবাইয়ের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেন। ক্রীড়াঙ্গনেও তিনি ছিলেন সমান জনপ্রিয়। তিনি ‘আল ওয়াসল স্পোর্টস ক্লাব’ এবং জেবেল আলি রেসকোর্সের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।





















